প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
একসময় সোহা আলি খানের জন্য দিনের শুরুতে কফি ছিল অপরিহার্য। কিন্তু বর্তমানে তার অভ্যাসে পরিবর্তন এসেছে। বলিউডের এই অভিনেত্রী এখন প্রতিদিন সকালে খালি পেটে একটি বিশেষ পানীয়, ‘লেমন গাট হিল ড্রিঙ্ক’, পান করেন, যা তিনি নিজেই প্রস্তুত করেন।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিওতে সোহা জানিয়েছেন, তিনি আগে প্রতিদিন সকালে কফি পান করতেন, কিন্তু এখন নিয়মিত এই পানীয়টি গ্রহণ করছেন। তার মতে, এই পানীয় পান করার পর শরীরে ইতিবাচক পরিবর্তন তিনি অনুভব করছেন। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এটি পান করার প্রায় ২০ মিনিট পর তিনি অন্য খাবার গ্রহণ করেন।
গ্যাস, অম্বল, পেট জ্বালা কিংবা পেট ফাঁপার মতো সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। সোহার মতে, তার এই পানীয় এসব সমস্যাগুলো কমাতে সহায়তা করতে পারে। পানীয়টিতে লেবু, আদা, হলুদ ও চিয়া সিড ব্যবহৃত হয়। ৪৭ বছর বয়সি এই অভিনেত্রী বলেছেন, ঈষদুষ্ণ পানি হজম প্রক্রিয়াকে সক্রিয় করতে সাহায্য করে, লেবু অ্যাসিডিটির মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং আদা ও হলুদ প্রদাহ কমাতে কার্যকর। অন্যদিকে, চিয়া সিড শরীরে প্রয়োজনীয় ফাইবারের যোগান দেয়।
পানীয়টি তৈরি করতে এক গ্লাস গরম পানিতে অর্ধেক লেবুর রস, এক চিমটি পিঙ্ক সল্ট, এক চিমটি হলুদ গুঁড়া, সামান্য গোলমরিচের গুঁড়া, সারারাত ভিজিয়ে রাখা চিয়া সিড এবং কুঁচি করা আদা মিশিয়ে নিতে হবে। এরপর এটি খালি পেটে পান করা যায়।
তবে সোহা সতর্ক করেছেন যে, এই পানীয় সবার জন্য উপযোগী নাও হতে পারে। যাদের অম্বলের সমস্যা রয়েছে, যাঁরা দীর্ঘদিন পেটের বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছেন বা কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকিতে আছেন, তাদের জন্য এটি উপযুক্ত নাও হতে পারে। তাই নতুন কোনো খাদ্যাভ্যাস শুরু করার আগে নিজের শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, খালি পেটে কফি পান করলে অনেকের ক্ষেত্রে গ্যাস ও অম্বলের সমস্যা বাড়তে পারে। অন্যদিকে, আদা, হলুদ, চিয়া সিড ও লেবুর সমন্বয়ে তৈরি পানীয় হজমে সহায়ক হতে পারে। তবে এটি পান করার আগে নিজের শরীরের প্রতিক্রিয়া ও প্রয়োজনকে গুরুত্ব দেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
১. সোহার লেমন গাট-হিল ড্রিঙ্কে কী কী থাকে?
লেবুর রস, আদা, হলুদ, চিয়া সিড, গোলমরিচ ও পিঙ্ক সল্ট থাকে।
২. কী ভাবে এই পানীয় বানাবেন?
ঈষদুষ্ণ জলে সব উপকরণ মিশিয়ে পান করতে পারেন।
৩. কখন এই পানীয় খান সোহা?
সোহা সকালে খালি পেটে পান করেন এবং প্রায় ২০ মিনিট পরে খাবার খান।
৪. এই পানীয় কি সকলের জন্য উপযোগী?
না। অম্বল, পেটের সমস্যা বা কিডনিতে পাথরের ঝুঁকি থাকলে এটি উপযোগী নাও হতে পারে।
৫. এই পানীয়ের মূল উপকারিতা কী?
সোহার মতে, ঈষদুষ্ণ জল হজমতন্ত্রকে সক্রিয় করতে সাহায্য করে, আদা-হলুদে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি গুণ রয়েছে এবং চিয়া সিড ফাইবারের জোগান দেয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন