প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত জানিয়েছেন, টিকাদান কর্মসূচির বাইরে কোনো শিশুকে রাখা হবে না।
তিনি উল্লেখ করেন, সরকারের লক্ষ্য হলো আগের কর্মসূচিতে বাদ পড়া প্রায় ৩৫ লাখ শিশুকে হাম-রুবেলার টিকার আওতায় আনা আগামী এক মাসের মধ্যে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর কড়াইল টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে বিশেষ হাম-রুবেলা ক্যাচ-আপ ক্যাম্পেইন-২০২৬-এর টিকাদান সেশন পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, বাদ পড়া শিশুদের খুঁজে বের করে টিকার আওতায় আনতে একটি বিশেষ ক্যাচ আপ বা মপ আপ ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হচ্ছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান এবং ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স এরিক গিলান।
ড. এম এ মুহিত বলেন, হাম-রুবেলা প্রতিরোধে ইতোমধ্যে সারাদেশে প্রায় ২ কোটি শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। এবার সরকার আগের কর্মসূচিতে বাদ পড়া প্রায় ৩৫ লাখ শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য নিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, "আমরা প্রতিটি ঘরে পৌঁছাবো, প্রতিটি শিশুর কাছে পৌঁছাবো এবং তাদের নিরাপত্তা ও জীবন নিশ্চিত করব।" দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চল, চরাঞ্চল কিংবা বিভিন্ন কারণে আগের কর্মসূচি থেকে বাদ পড়া শিশুদেরও এ কার্যক্রমের আওতায় আনা হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার প্রতিরোধমূলক চিকিৎসাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। শিশুদের প্রতিরোধযোগ্য রোগ থেকে সুরক্ষা দিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান এবং মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীরা সমন্বিতভাবে কাজ করছেন।
ক্যাম্পেইনে সহযোগিতার জন্য যুক্তরাষ্ট্র সরকার, গ্যাভি ও ইউনিসেফের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী। একইসঙ্গে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ও মাঠকর্মীদের ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে নাগরিকদের দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঘরবাড়ি ও কর্মস্থলের আশপাশ পরিষ্কার রাখার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। রোগের প্রাদুর্ভাবের সময় নয়, সারা বছর পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে হবে।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন, আগের ক্যাম্পেইনের ধারাবাহিকতায় ডিএনসিসি এবারও টিকাদান কার্যক্রমে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। বাসায় বাসায় গিয়ে বাদ পড়া শিশুদের শনাক্ত করে টিকার আওতায় আনা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইনের শেষ পর্যায়ে বাকি শিশুদের টিকা নিশ্চিত করতে ডিএনসিসি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে।
শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সহযোগিতার জন্য যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস, গ্যাভি ও ইউনিসেফকেও ধন্যবাদ জানান তিনি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন