প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. জুবাইদা রহমান মন্তব্য করেছেন যে, শিশুদের শৈশব নিরাপদ হতে হবে। তাদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত হওয়া প্রয়োজন। এইভাবে শিশুরা নতুন উদ্যমে তাদের স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা পূরণে সফল হতে পারবে।
তিনি উল্লেখ করেন, প্রত্যেক শিশুর মধ্যে অপার সম্ভাবনা ও প্রতিভা লুকিয়ে রয়েছে। সেই প্রতিভা বিকাশের জন্য শিশুদের উপযুক্ত পরিবেশ ও সুযোগ সৃষ্টি করা জরুরি।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) শিশু অধিকার দিবস-২০২৬ এবং বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এই বক্তব্য প্রদান করেন।
অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন মহিলা, শিশু ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
ডা. জুবাইদা রহমান বাংলাদেশ শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানটির সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শিশু-কিশোরদের আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান।
তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ৫০ বছর আগে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। শিশুদের সম্ভাবনা ও ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠার পর থেকে নানা বাধা-বিপত্তি সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠানটি গত পাঁচ দশক ধরে নিরলসভাবে কাজ করে আসছে।
তিনি আরও বলেন, শিশু একাডেমির আঙিনায় ছবি আঁকা, সংগীত, নৃত্য, আবৃত্তি ও সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে অগণিত শিশু-কিশোরের প্রতিভা বিকশিত হয়েছে। শিশুদের সৃজনশীলতা ও মেধা বিকাশে প্রতিষ্ঠানটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
শিশুদের অধিকার ও শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি বাধ্যতামূলক ও অবৈতনিক প্রাথমিক শিক্ষা এবং মেয়েদের অবৈতনিক শিক্ষা ব্যবস্থা সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করেন।
ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তীর এই শুভক্ষণে নতুন উদ্যোগের মাধ্যমে আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে বাংলাদেশ শিশু একাডেমিকে দেশের প্রতিটি প্রান্তের সকল শিশুর কাছে পৌঁছে দিতে হবে। আগামী দিনেও শিশু একাডেমি শিশুদের স্বপ্ন ও প্রতিভা বিকাশের একটি নির্ভরযোগ্য ঠিকানা হয়ে থাকবে।
তিনি শিশু-কিশোরদের উদ্দেশে বলেন, স্নেহের ছোট্ট বন্ধুরা, সকল বাধা-বিপত্তি ছিন্ন করে তোমরা প্রস্ফুটিত হবে। আশা-আকাঙ্ক্ষার সার্থকতার আলোকরশ্মি দু’হাতে বরণ করবে।
প্রত্যেক শিশুর মধ্যে অপার সম্ভাবনা ঘুমিয়ে আছে উল্লেখ করে ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, সেই প্রতিভাকে প্রকাশের সুযোগ দিতে হবে। নতুন উদ্যম ও নতুন উদ্যোগে শিশুরা ইনশাআল্লাহ সফল হবে।
তিনি আরও বলেন, প্রতিটি শৈশব হোক নিরাপদ, প্রতিটি শিশুর ভবিষ্যৎ হোক সুরক্ষিত-এই আমাদের কামনা।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং ডা. জুবাইদা রহমান বাংলাদেশ শিশু একাডেমিতে পৌঁছালে ১৫০ শিশু তাদের স্বাগত জানায়। অনুষ্ঠানটি জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে শুরু হয়।
আলোচনা সভা শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান শিশুদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।
শিশুদের আঁকা ছবি নিয়ে আয়োজিত প্রদর্শনী ও আলোকচিত্র গ্যালারিও তারা পরিদর্শন করেন। সূত্র: বাসস
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন