প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে মিয়ানমারে দুটি মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। সর্বশেষ শনিবার (১১ জুলাই) ভোরে ৪ দশমিক ১ মাত্রার একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এর আগে, শুক্রবার সন্ধ্যায় দেশটিতে ৪ দশমিক ৫ মাত্রার আরেকটি কম্পন রেকর্ড করা হয়। যদিও দুটি ভূমিকম্পেই এখন পর্যন্ত বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (এনসিএস) জানিয়েছে, শনিবারের ভূমিকম্পটি ভারতীয় সময় রাত ১২টা ২০ মিনিটে আঘাত হানে। এটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের ৯০ কিলোমিটার গভীরে। অন্যদিকে শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা ৫৯ মিনিটে হওয়া ৪ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল ১০০ কিলোমিটার গভীরে।
ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞদের মতে, মিয়ানমার বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলের একটি। দেশটি ভারতীয়, ইউরেশীয়, সুন্দা ও বার্মা- এই চারটি প্রধান টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত, ফলে সেখানে নিয়মিত ভূ-ত্বকের নড়াচড়া ঘটে এবং মাঝারি থেকে বড় মাত্রার ভূমিকম্পের ঝুঁকি সবসময়ই থাকে।
বিশেষজ্ঞদের সবচেয়ে বড় উদ্বেগের কারণ হচ্ছে দেশটির মধ্য দিয়ে বিস্তৃত প্রায় ১ হাজার ৫০০ কিলোমিটার দীর্ঘ সাগাইং ফল্ট। এই সক্রিয় ভূতাত্ত্বিক ফাটল রেখার আশপাশে সাগাইং, মান্দালে, বাগো ও ইয়াঙ্গুনসহ বেশ কিছু প্রধান শহর অবস্থিত, যেখানে দেশের প্রায় ৪৬ শতাংশ মানুষের বসবাস করে।
গবেষকদের মতে, ইয়াঙ্গুন মূল ফাটল রেখা থেকে কিছুটা দূরে হলেও অতিরিক্ত জনঘনত্বের কারণে বড় ধরনের ভূকম্পন হলে সেখানে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা বেশি দেখা দিতে পারে। ১৯০৩ সালে বাগো অঞ্চলে ৭ দশমিক ০ মাত্রার ভূমিকম্পে ইয়াঙ্গুনেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সাম্প্রতিক দুটি ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত কোনো বড় ধরনের প্রাণহানি বা অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
তথ্য সূত্র- এএনআই।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন