প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
বড় শহরগুলোর ১০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৯টি এমন স্থানের নিকটবর্তী, যেখানে শিশুরা সহজেই অস্বাস্থ্যকর খাবার ক্রয় করতে পারে। এসব স্থানের মধ্যে রয়েছে স্ন্যাকসের দোকান, সুপারমার্কেট এবং মিষ্টির বিশেষ দোকান।
জাতিসংঘ শিশু তহবিলের (ইউনিসেফ) তথ্য অনুযায়ী, হাতখরচের টাকা দিয়ে খাবার বা পানীয় ক্রয়ের সময় শিশুরা প্রায় সব ক্ষেত্রেই অস্বাস্থ্যকর খাবার বেছে নেয়। ইউনিসেফের একটি প্রতিবেদনে এই উদ্বেগজনক তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
ডাচ ফুড সেন্টারের প্রতিনিধি লিসবেথ ভেলেমা বিষয়টিকে উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি ডাচ সংবাদমাধ্যম এনওএস-কে বলেন, স্কুলের আশপাশে অস্বাস্থ্যকর খাবারের সহজলভ্যতা উদ্বেগের কারণ। তার মতে, চিনিযুক্ত বা চর্বিসমৃদ্ধ খাবারের তুলনায় স্বাদে কম আকর্ষণীয় হতে পারে এমন স্বাস্থ্যকর খাবার বেছে নেওয়া শিশুদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে।
শিশুদের অধিকার নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংস্থা ইউনিসেফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীরা যে খাবার কিনে, তার তিন-চতুর্থাংশ বা ৭৫ শতাংশই অস্বাস্থ্যকর। স্কুলের বিরতির সময় শিক্ষার্থীরা সসেজ রোল, ক্যান্ডি, চিপস এবং কোমল পানীয়ের মতো খাবারগুলো খুব সহজেই পেয়ে যাচ্ছে।
বর্তমানে স্কুলের আশপাশে অস্বাস্থ্যকর খাবার বিক্রির ওপর কোনো নির্দিষ্ট আইনি নিষেধাজ্ঞা বা নিয়মকানুন নেই। তবে স্থানীয় পৌরসভাগুলো এই পরিস্থিতির পরিবর্তন চায়। তাদের মতে, এসব ক্ষেত্রে কঠোর আইন কার্যকর করা প্রয়োজন এবং শিশুদের কাছে স্বাস্থ্যকর খাবার পৌঁছে দিতে সুপারমার্কেটগুলোর আরও বেশি ভূমিকা রাখা উচিত।
চলতি মাসের শুরুতে আমস্টারডাম ইউএমসি-এর পরিচালিত একটি গবেষণাতেও একই ধরনের চিত্র উঠে এসেছে। এতে বলা হয়, প্রায় ৯৪ শতাংশ মাধ্যমিক ও বৃত্তিমূলক স্কুলের চারপাশে অস্বাস্থ্যকর খাবার বিক্রির দোকান রয়েছে। ওই সময় ১৪টি পৌরসভার একটি জোট তাদের নিজ নিজ এলাকায় নতুন দোকান বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলার অনুমতি দেওয়ার ক্ষেত্রে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতার দাবি জানিয়েছিল।
গবেষণাটি আলমেয়র, আমস্টারডাম, ডেন বস, লাইডেন, রোটারডাম, উট্রেখট, দ্য হেগ, ব্রেডা, গ্রোনিঙ্গেন এবং টিলবার্গ শহরের খাবারের দোকান ও সামগ্রী নিয়ে পরিচালিত হয়। দেখা গেছে, প্রতিটি শহরেই স্বাস্থ্যকর খাবারের তুলনায় অস্বাস্থ্যকর খাবারের আধিপত্য অনেক বেশি।
সূত্র: এনএল টাইমস
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন