প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
রাজধানীর দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে অভিযান পরিচালনা করে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) ককটেল তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম এবং ৯ হাজার কাগজের মুখোশ উদ্ধার করেছে। এই ঘটনায় জাহিদ হাসান ইমন (৩০) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মিন্টো রোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার (ক্রাইম প্রিভেনশন-দক্ষিণ) মো. তোফায়েল আহমেদ মিয়া এসব তথ্য প্রকাশ করেন।
তিনি জানান, গত ১৯ সেপ্টেম্বর যাত্রাবাড়ী থানার সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার তদন্তে ওয়ারী বিভাগের যাত্রাবাড়ী, শ্যামপুরসহ সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ সমন্বিতভাবে কাজ শুরু করে। তদন্তের এক পর্যায়ে জাহিদ হাসান ইমনের সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তথ্য ও সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়।
এর ধারাবাহিকতায় শুক্রবার ভোররাতে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার বাগাশুর এলাকায় অভিযান চালায় শ্যামপুর মডেল থানা পুলিশ। দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশের সহায়তায় সেখান থেকে জাহিদ হাসান ইমনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানায়, ইমন যুবলীগের নেতা।
ডিএমপির এই কর্মকর্তা বলেন, ইমনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ককটেল তৈরিতে ব্যবহৃত ১ কেজি ৫০০ গ্রাম কস্টিক সোডা, ১ কেজি ৬০০ গ্রাম সালফার, ৫ কেজি মারবেল, ২ কেজি ১ ইঞ্চি তারকাঁটা, ককটেল মোড়ানোর কাজে ব্যবহৃত ২০টি লাল কস্টেপ ও ১১টি কালো কস্টেপ উদ্ধার করা হয়।
এ ছাড়া তিন কার্টুনে রাখা কাগজের তৈরি মোট ৯ হাজার মুখোশ, মুখোশ পরার ৩০ প্যাকেট ইলাস্টিক, ককটেল তৈরির উপাদান বিচূর্ণ করার কাজে ব্যবহৃত জাইপান ব্র্যান্ডের একটি ব্লেন্ডার এবং একটি জার উদ্ধার করা হয়েছে।
মো. তোফায়েল আহমেদ মিয়া বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে ইমন পুলিশকে জানিয়েছে, লালবাগের এক নেতার মাধ্যমে অজ্ঞাত এক ভ্যানচালকের সহায়তায় মুখোশগুলো তার কাছে পাঠানো হয়। পরে বিভিন্ন নেতা-কর্মীর মধ্যে বিতরণের উদ্দেশ্যে সেগুলো তার বাসায় সংরক্ষণ করা হয়েছিল।
পুলিশের দাবি, ‘নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সময়ের মিছিলে এসব মুখোশ ব্যবহারের পরিকল্পনা ছিল।’ ডিএমপির এই কর্মকর্তা আরও জানান, জাহিদ হাসান ইমনের বিরুদ্ধে শাহবাগ ও লালবাগ থানায় পৃথক দুটি মামলা রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন