প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন মন্তব্য করেছেন যে, মাদক ব্যবসার সঙ্গে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কিছু সদস্যের সম্পৃক্ততা রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, ক্ষমতাসীন দলের মিথ্যা রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে কুচক্রী মহল মাদকের হটস্পটগুলো পরিচালনায় লিপ্ত রয়েছে। তিনি বলেন, "মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত কোনো ব্যক্তির রাজনীতি করার অধিকার নেই।" ইশরাক হোসেন আরও বলেন, মাদকের সঙ্গে কারো রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা থাকলে তার মুখোশ উন্মোচন করে বিচারের মুখোমুখি করা উচিত। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে ঘোষণা করেছেন, "মাদকের বিরুদ্ধে আমার যুদ্ধ চলবে।"
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির আয়োজনে অনুষ্ঠিত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে চ্যালেঞ্জ ও করণীয় নিয়ে এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, "বর্ডার থেকে নানান কারসাজি করে সারাদেশে মাদক ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।" এর সঙ্গে কিছু নামকরা পরিবহনের সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে। একইসঙ্গে, তিনি কিছু ভূঁইফোড় ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানির মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগও তুলে ধরেন। ইশরাক হোসেন বলেন, "একটি গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে ভূ-রাজনীতি ব্যবহার করে মাদক ছড়িয়ে দিয়ে সমাজ ও জাতিকে ধ্বংসের পাঁয়তারা করছে।"
তিনি আরও উল্লেখ করেন, "যারা মাদকাসক্ত তারা জঘন্য নৃশংস অপরাধের সঙ্গে জড়িত।" তিনি শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড এবং বহুল আলোচিত ঐশির ঘটনাও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, "মাদকের বিরূপ প্রভাবের কারণে এই ধরনের জঘন্য হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।" ইশরাক হোসেন বলেন, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।
অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. হাসান মারুফ এবং মনোচিকিৎসা বিদ্যার অধ্যাপক ডা. এম এ মোহিত কামাল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন