প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
চাঁদাবাজি, আইনশৃঙ্খলার অবনতি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের মূল্যবৃদ্ধির জন্য সরকারের ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে স্বরাষ্ট্র ও জ্বালানিমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি করেছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে এনসিপির ঘোষিত গণবিক্ষোভ কর্মসূচির জন্য সপ্তাহব্যাপী লিফলেট বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এই দাবি তুলে ধরেন।
রাজধানীর কারওয়ান বাজারে জনসংযোগ কর্মসূচির সূচনা করার সময় নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কারওয়ান বাজার এলাকা সবচেয়ে বেশি চাঁদাবাজির শিকার হয়। তাই এখান থেকেই আমরা এই গণসংযোগ কর্মসূচি শুরু করছি। সারা দেশে যে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজ সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে, তাদের বিরুদ্ধে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিহত করতে হবে।’
সরকারের সমালোচনা করে এনসিপির আহ্বায়ক আরও বলেন, ‘দেশে আজ গণমাধ্যমের স্বাধীনতাহীনতা চরম আকার ধারণ করেছে। সাংবাদিকদের ওপর প্রকাশ্যে হামলা করার উসকানি দেয়া হচ্ছে। সরকারের সমালোচনা করার কারণে এরইমধ্যে ২২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনকে নাম বদলে সাইবার নিরাপত্তা আইন বানিয়ে আগের মতোই দমনপীড়ন চালানো হচ্ছে।’
দ্রব্যমূল্য ও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বাজেট অধিবেশনে বিএনপি সরকার বলেছিল যে পণ্যের দাম বাড়বে না। কিন্তু বাস্তবে অকটেন ও ডিজেলের দাম পরপর তিনবার বাড়ানো হলো। ‘জনগণ আজ অসহায়’, সরকারের কোনো নির্দিষ্ট পরিকল্পনা নেই। এই পরিস্থিতির পূর্ণ দায় স্বীকার করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং জ্বালানিমন্ত্রীকে অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে এবং মন্ত্রিপরিষদ পুনর্গঠন করতে হবে।”
অনুষ্ঠানে এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলার ক্রমাবনতি নিয়ে সরকার কোনো ধরনের কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারেনি। এই কারণে আজ থেকে এই লিফলেট বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগামী ৩০ অক্টোবর ঢাকা মহানগরের উদ্যোগে এক বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।’
এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া সরকারের সমালোচনা করে বলেন, ‘নির্বাচনের পর সাধারণ মানুষ পরিস্থিতির উন্নতির আশা করেছিল, কিন্তু বাজারে সবজি কিনতে গেলে মাংসের দাম এবং মুরগি কিনতে গেলে গরুর মাংসের দাম দিতে হচ্ছে। জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধির রেকর্ড হয়েছে। জনগণের এ সমস্যা সমাধানে সরকার দায়িত্বশীল আচরণ করছে না। রাজপথ এবং সংসদ–দুই জায়গাতেই আমরা জনগণের কথা তুলে ধরব।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন