প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী মন্তব্য করেছেন যে, শেখ হাসিনাকে ভারতে প্রবেশ করতে দেওয়ার ছাড়া ওই সময় ভারতের কাছে অন্য কোনো বিকল্প ছিল না।
শনিবার (৩ অক্টোবর) ঢাকায় পঞ্চম বে অব বেঙ্গল কনভারসেশনে এক সেশনে প্রশ্নের জবাবে তিনি এই কথা বলেন।
দীনেশ ত্রিবেদী জানান, ঐতিহাসিক ও পুরোনো বন্ধু হিসেবে সংকটময় পরিস্থিতিতে ভারত যা করা উচিত ছিল, সেটাই তারা করেছে। তিনি বলেন, শেখ হাসিনাকে বহনকারী উড়োজাহাজটিকে ভারতে অবতরণের অনুমতি না দিলে পরিস্থিতি কতটা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারত, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, "অনুমতি না দিলে কী ঘটতে পারত তা কারও জানা নেই।"
তিনি আরও বলেন, ইতিহাসের দিকে ফিরে তাকালে দেখা যায়, শেখ হাসিনাকে আমাদের বিমানবাহিনী বা সেনাবাহিনী ভারতে নিয়ে যায়নি। সেসময় বাংলাদেশের মর্মান্তিক পরিস্থিতির কারণেই এমনটা হয়েছিল এবং তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এমন পরিস্থিতি যেন আর কখনো না ঘটে, যেখানে নির্দোষ মানুষ নিহত হয়। সেটা পৃথিবীর যে প্রান্তেই হোক না কেন।
তিনি বলেন, সামরিক বিমানটি ভারতে এসেছিল, যার জন্য ভারত প্রস্তুত ছিল না। তিনি টেলিভিশনে দেখছিলেন এবং স্ক্রলে লেখা আসছিল যে শেখ হাসিনা অন্য কোথাও, অন্য কোনো দেশে যাচ্ছেন। সেই সময়ে শেখ হাসিনা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। এ বিষয়ে তাদের কাছে বিকল্প ছিল না। প্রতিবেশী হিসেবে বাস্তবতাকে মেনে নেওয়া তাদের দায়িত্ব ছিল।
ভারতীয় হাইকমিশনার আরও বলেন, অনেক সময় পরিস্থিতি এমন হয় যেখানে আপনি এর জন্য প্রস্তুত থাকেন না। তিনি প্রশ্ন করেন, "আমাদের কাছে আর কী বিকল্প ছিল?" তিনি বলেন, "যদি বলতাম যে, না আমরা তাকে গ্রহণ করব না, আমরা ল্যান্ডিংয়ের অনুমতি দেব না, তবে পরিস্থিতি কী দাঁড়াত তা আমার জানা নেই।" তাই তিনি বলেন, এটিই হলো ঐতিহাসিক কারণ।
তিনি আরও বলেন, বাকিটা তার জানা নেই। আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে, সে বিষয়ে সবাইকে নিশ্চিত থাকতে বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের মতো ভারতও একটি প্রাণবন্ত গণতান্ত্রিক দেশ এবং আশা করেন যে, সবাই আইনি ব্যবস্থাকে সম্মান করবে। আইনি ব্যবস্থা তার কাজ করছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন