প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ স্কয়ার ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিচালক ও মালিক শহিদুল ইসলাম বাবুলের বিরুদ্ধে এক নার্সকে মারধর ও দুর্ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী নার্স কলি রায় অভিযোগ করেছেন যে, রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুর দেড়টার দিকে ক্লিনিকের রিসেপশন ফ্লোরে এই ঘটনা ঘটে।
কলি রায় জানান, গত ২০ জুলাই তিনি দেবীগঞ্জ স্কয়ার ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নার্স হিসেবে যোগদান করেন। রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে কুলসুম নামে এক নারী ক্লিনিকে ভর্তি হন। দুপুর ১২টার দিকে তার সিজারিয়ান অপারেশন সম্পন্ন হয়। অপারেশনের পর নবজাতকের জন্য বিভিন্ন সামগ্রী যেমন ডায়াপার ও কে-ওয়ান ইনজেকশন এবং প্রসূতির জন্য বেল্ট, ব্যথানাশক ভলটালিন ইনজেকশন ও ন্যাপকিনের প্রয়োজন হয়। এসব সামগ্রী ক্লিনিকে ‘প্যাকেজ’ নামে পরিচিত বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।
কলি রায়ের অভিযোগ, এসব সামগ্রী ক্লিনিকের বাইরে তুলনামূলক কম দামে কেনার সুযোগ থাকলেও রোগীর স্বজনদের ক্লিনিক থেকেই সেগুলো কেনার জন্য নার্সদের ওপর চাপ দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। তিনি জানান, এ দিন কুলসুমের স্বজনেরা প্রয়োজনীয় সামগ্রী বাইরে থেকে কিনে নিয়ে আসেন। বিষয়টি জানতে পেরে ক্লিনিকের পরিচালক শহিদুল ইসলাম বাবুল ক্ষুব্ধ হয়ে যান এবং রোগীর স্বজনরা কেন বাইরে থেকে এসব সামগ্রী কিনেছেন, তা নিয়ে তার সঙ্গে রাগান্বিত হয়ে কথা বলেন।
এ সময় বাবুলের ছোট মেয়ে স্নেহাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন এবং তিনিও তার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন বলে অভিযোগ করেন কলি। কলি বলেন, একপর্যায়ে ক্লিনিক পরিচালক শহিদুল ইসলাম বাবুল তার মাথায় হাত দিয়ে আঘাত করেন। পরে তিনি ক্লিনিকের দ্বিতীয় তলায় গেলে সেখানে বাবুলের মেয়ে ও চিকিৎসক ডা. শিখা মনি তার সঙ্গে রাগান্বিত হয়ে কথা বলেন। এ সময় তাকে পরের দিন থেকে ক্লিনিকে না আসার কথাও বলা হয় বলে অভিযোগ করেছিলেন তিনি।
এই অভিযোগের বিষয়ে ক্লিনিকের মালিক ও পরিচালক শহিদুল ইসলাম বাবুলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি নার্সের করা অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন। পঞ্চগড়ের সিভিল সার্জন ডা. মিজানুর রহমান উক্ত নার্সকে আইনের সহায়তা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। উল্লেখ্য যে, এর আগে ক্লিনিকটির মালিক শহিদুল ইসলাম বাবুল ও তার মেয়ে ডা. শিখা মনি’র রূঢ় আচরণের কারণে যোগদানের অল্প সময়ের মধ্যেই কয়েকজন নার্স চাকরি ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছেন, এমন অভিযোগও উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন