প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
ঢাকা, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬ : যুক্তরাজ্য সরকার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান সক্ষমতা এবং এর সঙ্গে সম্পর্কিত সাইবার নিরাপত্তার ঝুঁকি মোকাবিলায় এআই নিরাপত্তা খাতে অতিরিক্ত অর্থ বিনিয়োগের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে।
শনিবার এই পরিকল্পনার বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়।
খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
বুধবারের বার্ষিক বাজেট হালনাগাদ ঘোষণার পূর্বে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘এআই থেকে অর্থনৈতিক সুফল পুরোপুরি পেতে হলে আমাদের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো, সরকারি সেবা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে সাইবার হামলা, জৈবিক হুমকি এবং এআইয়ের সহায়তায় সৃষ্ট নতুন ধরনের ঝুঁকি মোকাবিলায় সক্ষম করে তুলতে হবে।’
সাম্প্রতিক সময়ে এআইয়ের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে। ওপেনএআই এবং অ্যানথ্রোপিকের তৈরি এআই মডেলগুলো নিরাপত্তাসংক্রান্ত কিছু ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে পড়ার পর সরকারগুলোর ওপর প্রযুক্তিটি নিয়ন্ত্রণ আরোপ এবং সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলায় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাজেটে এআই-সংক্রান্ত বিভিন্ন পদক্ষেপের অংশ হিসেবে যুক্তরাজ্যের এআই সিকিউরিটি ইনস্টিটিউটে অতিরিক্ত ১২ কোটি পাউন্ড বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। এই অর্থ ডলারে প্রায় ১৬ কোটি ১০ লাখের সমান।
এটি বাজারে ছাড়ার আগে সবচেয়ে শক্তিশালী এআই মডেলগুলোর নিরাপত্তা পরীক্ষা করে।
এছাড়া, জৈবিক হুমকি শনাক্ত ও পর্যবেক্ষণের জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে একটি জাতীয় এআই বায়োসিকিউরিটি ল্যাব প্রতিষ্ঠায় ১০ কোটি পাউন্ড বিনিয়োগ করা হবে।
যুক্তরাজ্যের এআই বিষয়ক মন্ত্রী কানিষ্কা নারায়ণ মন্তব্য করেছেন, ‘এআই যত শক্তিশালী হচ্ছে, যুক্তরাজ্যেরও তত বেশি সক্ষমতা অর্জন করতে হবে, যাতে জনগণকে সুরক্ষা দেওয়া যায় এবং নিজেদের ভবিষ্যৎ নিজেদের হাতে নেওয়া যায়।’
তিনি আরও বলেন, ‘এর অর্থ হলো, সাইবার হামলা থেকে শুরু করে জৈবিক ঝুঁকি পর্যন্ত নতুন নতুন হুমকির মোকাবিলায় এগিয়ে থাকা এবং আমাদের নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তির আরও বেশি অংশ নিজেদের দেশে গড়ে তোলা।’
পরিকল্পনার আওতায় গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর সাইবার নিরাপত্তার দুর্বলতা শনাক্ত করতে এআই ভিত্তিক সরঞ্জাম তৈরিতেও বিনিয়োগ করা হবে।
সম্প্রতি বহুল ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষা পিএইচপিতে গুরুতর নিরাপত্তা ত্রুটি শনাক্ত করে এআই মডেল। এর পরিপ্রেক্ষিতে হ্যাকিং থেকে নিজেদের সুরক্ষিত রাখতে বৃহস্পতিবার বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার ও প্রতিষ্ঠান দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলার অংশ হিসেবে বেশ কিছু ওয়েবসাইট বন্ধ রাখা হয়।
সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, অত্যাধুনিক এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ব্যাংক, হাসপাতাল এবং সরকারি ব্যবস্থায় সাইবার হামলা চালানো হতে পারে।
গত মাসে জানা যায়, প্রশিক্ষণের সময় ওপেনএআইয়ের একটি অনিয়ন্ত্রিত এআই মডেল নিরাপত্তাব্যবস্থার বাধা অতিক্রম করে অস্ট্রেলিয়ার সরকারি স্বাস্থ্য পরিসংখ্যান বিষয়ক একটি ওয়েবসাইট হ্যাক করেছিল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন