প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
ঢাকা, ২১ অক্টোবর, ২০২৬ : যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার কারণে কিউবায় কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়া খনিজ কোম্পানি শেরিটকে দ্বীপরাষ্ট্রটিতে জ্বালানি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহের অনুমতি দিয়েছে ওয়াশিংটন। এ তথ্য মঙ্গলবার কানাডাভিত্তিক কোম্পানিটি প্রকাশ করেছে।
এ খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র মাধ্যমে এসেছে।
শেরিট ১৯৯০-এর দশক থেকে কিউবার রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান জেনারেল নিকেল কোম্পানি এসএর সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে দেশটিতে নিকেল ও কোবাল্ট উত্তোলন করে আসছে।
যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার কারণে গত মে মাসের শুরুতে কোম্পানিটি কিউবা থেকে কার্যক্রম গুটিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছিল। মঙ্গলবারের ঘোষণার উদ্দেশ্য হলো— দেশটির মোয়া এলাকার খনিতে ভবিষ্যতে আবার কার্যক্রম শুরুর পথ তৈরি করা।
কিন্তু কিউবা থেকে সরে যাওয়ার পরপরই নিজেদের সম্পদ বিক্রি করে ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে শেরিট সরে আসে। একই সঙ্গে কোম্পানিটির ৫৫ শতাংশ শেয়ার যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান গিলন ক্যাপিটালের কাছে বিক্রির ব্যাপারে আলোচনা শুরু করে। চুক্তি সম্পন্ন হলে গিলন ক্যাপিটাল শেরিটের সংখ্যাগরিষ্ঠ শেয়ারের মালিক হয়ে যাবে।
গিলন ক্যাপিটালের মালিক রে ওয়াশবার্ন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে তিনি যুক্তরাষ্ট্র সরকারের উন্নয়ন অর্থায়নবিষয়ক প্রতিষ্ঠানের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
শেরিট এক বিবৃতিতে জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়ের বৈদেশিক সম্পদ নিয়ন্ত্রণ দপ্তর (ওএফএসি) থেকে পাওয়া ‘ফুয়েল লাইসেন্স’ বা জ্বালানি সরবরাহের অনুমতিপত্রের আওতায় মোয়া নিকেলের জন্য জ্বালানি, ফুয়েল অয়েল ও সালফার বিক্রি, পরিবহন, রপ্তানি ও সরবরাহ করা যাবে। এ-সংক্রান্ত অর্থ পরিশোধ এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য সেবাও এই অনুমতির আওতায় থাকবে।
কিউবার ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা পরিচালনাকারী ওএফএসির সঙ্গে আলোচনাগুলো গিলন ক্যাপিটালের ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ে হয়েছে বলেও মঙ্গলবারের বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে শেরিট।
তবে কোম্পানিটি জানিয়েছে, মোয়া নিকেলের কার্যক্রম বাস্তবে পুনরায় চালু করার জন্য ওএফএসির কাছ থেকে দ্বিতীয় একটি জরুরি অনুমতিপত্র পেতে হবে।
গত জানুয়ারিতে কিউবার ওপর জ্বালানি অবরোধ আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। ওই ব্যবস্থার আওতায় কেবল যুক্তরাষ্ট্র থেকে কিউবার বেসরকারি খাতের জন্য পাঠানো জ্বালানি সরবরাহের অনুমতি দেওয়া হয়।
এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রকাশ্যেই কিউবার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে মন্তব্য করেছেন। তার দাবি, কিউবা যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন