প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
ঢাকা, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ : চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের গড় পাসের হার ৫১.৬২ শতাংশে পৌঁছেছে।
পাস করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাসের হার এবং সংখ্যা উভয় দিক থেকেই ছাত্রীরা এগিয়ে রয়েছে।
আজ শনিবার সকাল ১১টায় সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন ফলাফলের বিস্তারিত তুলে ধরেন।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় মোট ১০ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩০ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে মোট ৫ লাখ ৪১ হাজার ২৪৯ জন শিক্ষার্থী। এবারের পরীক্ষায় ৯টি বোর্ডে মোট ৩৫ হাজার ৯৪৮ জন জিপিএ-৫ অর্জন করেছে।
ছাত্র ও ছাত্রীদের পাসের চিত্র
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোতে এ বছর ৪ লাখ ৮৩ হাজার ১৯১ জন ছাত্রের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ২ লাখ ২৭ হাজার ৭৮৯ জন; পাসের হার ৪৭.১৪ শতাংশ।
অন্যদিকে, ৫ লাখ ৬৫ হাজার ৩৩৯ জন ছাত্রীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৩ লাখ ১৩ হাজার ৪৬০ জন; পাসের হার ৫৫.৪৫ শতাংশ। ফলে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডে মোট উত্তীর্ণ ছাত্রের চেয়ে ৮৫ হাজার ৬৭১ জন বেশি ছাত্রী উত্তীর্ণ হয়ে পাসের দিক থেকে এগিয়ে রয়েছে।
জিপিএ-৫ অর্জনের ক্ষেত্রেও ছাত্রীরা শক্তিশালী অবস্থান ধরে রেখেছে। সাধারণ বোর্ডগুলোতে জিপিএ-৫ পাওয়া ৩৫ হাজার ৯৪৮ জনের মধ্যে ছাত্র ১৮,১৫৫ জন এবং ছাত্রী ১৭,৭৯৩ জন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এ বছর ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৪,৬১৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ১,৬২৮টি পরীক্ষা কেন্দ্রে অংশ নিয়েছে। দেশের সকল পরীক্ষা কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করে কেন্দ্রীয়ভাবে মনিটরিং এবং অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে প্রবেশদ্বারে পুলিশের বডি-ওর্ন ক্যামেরা নিশ্চিত করা হয়েছিল।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এ বছর দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাস করেছে ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন।
উত্তীর্ণদের মধ্যে ছাত্র ২ লাখ ৯০ হাজার ১৫৭ জন এবং ছাত্রী ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৫২৮ জন। অর্থাৎ, সকল শিক্ষা বোর্ডে উত্তীর্ণ মোট ছাত্রদের চেয়ে ৬৬ হাজার ৩৭১ জন বেশি ছাত্রী উত্তীর্ণ হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, যথাসময়ে পরীক্ষা গ্রহণ, পূর্ণ সিলেবাস ও পূর্ণ নম্বরে এবং সারা দেশে প্রথমবারের মতো অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়া ফলাফল মূল্যায়নে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী গিয়াস উদ্দিন রিমন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব কেরামত আলীসহ সকল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও পরীক্ষা সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন