প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস সদস্য ইলহান ওমর জানিয়েছেন, তিনি তার ওয়াশিংটন ডিসির বাড়িটি ছেড়ে অন্য কোথাও যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন। এ সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআইয়ের তল্লাশি।
ইলহান ওমর উল্লেখ করেছেন, ওই অভিযানের ফলে তার বাড়িটি অনাকাঙ্ক্ষিত মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে এবং তিনি নিজেকে নিরাপত্তাহীন মনে করছেন। এবিসি নিউজের একটি প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
গত সপ্তাহে মিনেসোটা থেকে নির্বাচিত ডেমোক্র্যাট কংগ্রেস সদস্য ইলহান ওমরের বাড়িতে এফবিআই তল্লাশি চালায়। তার পরিবারের সদস্যদের অভিবাসন সংক্রান্ত নথিপত্রে জালিয়াতির অভিযোগের কারণে চলমান ফৌজদারি তদন্তের অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালিত হয়। এ ঘটনায় তার পরিবারের কয়েকজন সদস্যকে সমনও পাঠানো হয়েছে।
সোমালিয়ায় জন্ম নেওয়া ইলহান ওমর যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন। বুধবার এমএস নাউকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে তিনি অভিযোগগুলো অস্বীকার করেন। বাড়িতে তল্লাশির পর এটি ছিল তার প্রথম সাক্ষাৎকার।
ইলহান ওমর বলেন, “আমি নিশ্চিত যে আমি কোনো অন্যায় করিনি।”
দীর্ঘদিন ধরে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থক ও রক্ষণশীল ভাষ্যকারদের একটি অংশ অভিযোগ করে আসছেন যে, ইলহান ওমর তার ভাইকে বিয়ে করে অভিবাসন জালিয়াতি করেছেন এবং নিজের অভিবাসন ইতিহাস সম্পর্কে ভুল তথ্য দিয়েছেন। তবে ওমর বারবার এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। অভিযোগগুলোর পক্ষে এখন পর্যন্ত কোনো প্রমাণ প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
ইলহান ওমরের অভিযোগ, তার বাড়িতে তল্লাশির ঘটনা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থকরা দীর্ঘদিন ধরে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছেন, তাদের সন্তুষ্ট করার জন্যই এ অভিযান চালানো হয়েছে।
এমএস নাউয়ের উপস্থাপক ক্রিস হেইসকে ওমর বলেন, তারা বারবার ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন, আমার সঙ্গে কিছু একটা ঘটতে যাচ্ছে। আমার বিশ্বাস, তারা কিছু একটা করতেই চেয়েছিলেন। যাতে বলতে পারেন, দেখুন, আমরা তার বাড়িতে অভিযান চালিয়েছি।
তল্লাশির পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ওমর অভিযোগ করেন, ট্রাম্প প্রশাসন রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমন করতে কেন্দ্রীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ব্যবহার করছে।
ওমর লেখেন, “গত ১০ বছর ধরে ট্রাম্প ভিত্তিহীন মিথ্যা ও অপপ্রচারের মাধ্যমে আমাকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছেন। এটি তার রাজনৈতিকভাবে ভয় দেখানোর প্রচারণার সর্বশেষ ধাপ। আমাকে নীরব করা যাবে না।” সূত্র: জেরুজালেম পোস্ট
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন