প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে তাঁর স্ত্রী ও পাঁচ বছর বয়সী ছেলেকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় তাদের অন্য একটি ছেলে গুরুতর আহত অবস্থায় রয়েছে। ঘটনার পর অভিযুক্ত ব্যক্তি পালিয়ে গেছেন।
বুধবার (৮ জুলাই) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে কুতুপালং ৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বি-৬ ব্লকে এই ঘটনা সংঘটিত হয়েছে।
নিহতদের পরিচয় হলো— রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা এহেসামুল হকের (৩৭) স্ত্রী শহীদ নুর ওরফে সুফিয়া (৩০) এবং শিশু সন্তান মোহাম্মদ শামীম (৫)। এই ঘটনায় তাদের বড় ছেলে মোহাম্মদ আফছার ওরফে বাপ্পী (১৪) গুরুতর আহত হয়েছে।
কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মাঝি মোহাম্মদ হুসাইন জানান, বুধবার (৮ জুলাই) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে পারিবারিক কলহের জেরে রোহিঙ্গা এহেসামুল হক ও তার স্ত্রী শহীদ নুর ওরফে সুফিয়ার মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়। একপর্যায়ে এহেসামুল হক ধারালো দা দিয়ে তার স্ত্রী এবং দুই ছেলে শামীম ও বাপ্পীকে কুপিয়ে ও গলা কেটে গুরুতর জখম করে ফেলেন। এই হামলায় ঘটনাস্থলেই তার স্ত্রী ও ছোট ছেলে প্রাণ হারান।
গুরুতর আহত বড় ছেলে বাপ্পীকে স্থানীয় রোহিঙ্গাদের সহায়তায় কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন। ঘটনার পর অভিযুক্ত এহেসামুল হক পালিয়ে গেছেন বলে এসব তথ্য জানান মোহাম্মদ হুসাইন।
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান জানিয়েছেন, ঘটনার দিন রাতে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে একই পরিবারের দুই সদস্য নিহত হওয়ার ঘটনায় মরদেহ উদ্ধারের জন্য পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছে। মরদেহ উদ্ধার হওয়ার পর সেগুলো ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান আছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন