প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
ভারতের রাজধানী দিল্লি ছাত্র আন্দোলনে উত্তাল হয়ে উঠেছে। গত কয়েকদিন ধরে দেশের বিভিন্ন শহর, যেমন মুম্বাই, বেঙ্গালুরু, পাটনা, কলকাতা, এসব স্থানে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য তাই নরেন্দ্র মোদির কট্টর হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সরকার নিজেদের সুর অনেকটাই নরম করেছে। তারা এখন আন্দোলনকারীদের ‘সুবিধাজনক যেকোনও সময়ে’ আলোচনায় বসতে রাজি হয়েছে।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং জানিয়েছেন, বুধবার থেকেই সরকারের পক্ষ থেকে আলোচনার জন্য চারটি প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। কিন্তু আন্দোলনরত গোষ্ঠীগুলো কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডার বাসভবন বা কার্যালয়ে আলোচনা করার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা ‘যন্তর মন্তর’ কিংবা অন্য কোনো নিরপেক্ষ স্থানে আলোচনা করার দাবি জানিয়েছে।
জিতেন্দ্র সিং আরো বলেন, “বুধবার দুপুর থেকে সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে আলোচনার জন্য চারটি আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। সরকার আপনাদের সুবিধামতো যেকোনও সময় সব বিষয়ে আলোচনা করতে প্রস্তুত।”
মন্ত্রী আরও জানান, আলোচনার সময় তার সহকর্মী মন্ত্রী জেপি নাড্ডাও উপস্থিত থাকবেন।
তিনি আরও যোগ করেন, “আলোচনা জেপি নাড্ডার কার্যালয় বা বাসভবনে হতে পারে। আমরা অহমিকা বা মর্যাদার লড়াইয়ে বিশ্বাসী নই। আলোচনার জন্য কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা এবং আমি উভয়েই উপস্থিত থাকব। ধীরে ধীরে আলোচনার মাধ্যমে আমরা একটি সমাধানের দিকে এগিয়ে যাব। এটি শিক্ষার্থীদের কল্যাণে সরকারের নেওয়া ধারাবাহিক পদক্ষেপেরই একটি অংশ। আমি আপনাদের সকলকে বিনীতভাবে আহ্বান জানাচ্ছি, আসুন এবং আলোচনায় বসুন।”
এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে ককারোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) জানিয়েছে যে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বাড়ি বা অফিসের পরিবর্তে, তারা যন্তর মন্তরে কিংবা কোনো নিরপেক্ষ স্থানে বৈঠকে বসবে। সূত্র: এনডিটিভি
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন