প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
সাতক্ষীরার সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের জামিন আবেদন, যা দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় ছিল, আদালত তৃতীয় দফায় নামঞ্জুর করেছে।
রোববার (১১ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আল বিরুনী মীরের আদালত শুনানি শেষে জামিন আবেদনটি নামঞ্জুর করেন। এদিন আসামিপক্ষের আইনজীবী মাহাবুবুর রহমান জামিনের জন্য আবেদন করেন, কিন্তু রাষ্ট্রপক্ষ তার বিরুদ্ধে বিরোধিতা করে। শুনানি শেষে আদালত জামিনের আবেদনটি নামঞ্জুর করে।
এর আগে, ৭ অক্টোবর গাজী নজরুলের জামিন চাওয়ার সময় আসামিপক্ষের আইনজীবী আদালতে বলেন, "আসামি বয়স্ক। ভিকটিম অতি অল্পবয়স্ক মেয়ে মানুষ। আসামির হেফাজতে থাকা অবস্থায় ভিকটিম আত্মহত্যা করেছে। হাজতবাস পর্যাপ্ত নয়। এই মামলায় আসামি জামিন পেলে সমাজে বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়তে পারে।" আদালত তখন জামিন নামঞ্জুর করেন।
৩০ সেপ্টেম্বর একই মামলায় নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামের জামিন চাওয়া হয়েছিল। সেদিন আদালত মাকছুদাকে জামিন দিলেও নজরুলের আবেদনটি নামঞ্জুর করে।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় সংসদ ভবনের বিপরীতে ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে মরিয়ম খাতুনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে তার বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ শেরেবাংলা নগর থানায় আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে মামলা করেন।
মামলায় গাজী নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম এবং মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানকে আসামি করা হয়। মামলার পরদিন আদালত নজরুলের চার দিনের এবং মাকছুদার এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পরে মামলাটির তদন্তভার গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
নজরুলের আরও এক দফা রিমান্ড মঞ্জুর হয়। দুই দফায় মোট আট দিনের রিমান্ড শেষে ২৮ সেপ্টেম্বর তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। এদিকে মামলার অপর আসামি ওবায়দুর রহমানকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সোমবার তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন