প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
বরগুনার পায়রা নদীতে গোসল করতে গিয়ে নিখোঁজ স্কুলছাত্রী রাবেয়া আক্তার জুঁইয়ের (১৫) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
নিখোঁজ হওয়ার প্রায় একদিন পর সোমবার (১৭ আগস্ট) রাতে তালতলী উপজেলার জয়ালভাঙা এলাকায় পায়রা নদীতে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে পুলিশের সহায়তায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
জানো গেছে, নিহত জুঁই ঢাকার মিরপুর এলাকার জনি চৌধুরীর মেয়ে। জুঁই বাবার সঙ্গে বরগুনা সদর উপজেলার এম বালিয়াতলী ইউনিয়নের লতাকাটা এলাকায় বেড়াতে গিয়েছিল।
রোববার (১৬ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে এক স্বজনের সঙ্গে লতাকাটা খেয়াঘাটসংলগ্ন পায়রা নদীতে নামে জুঁই। তখন নদীতে তীব্র স্রোত থাকায় গোসলের একপর্যায়ে স্রোতের টানে সে পানিতে তলিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা নদীতে গিয়ে এবং জাল টেনে তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করেন তবে কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনার খবর পেয়ে বরগুনা সদর ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা গিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। কিন্তু নদীতে তীব্র স্রোত থাকায় উদ্ধারকাজে বেগ পেতে হয়। পরে পটুয়াখালী ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি ইউনিটকেও খবর দেওয়া হয়।
এরপর সোমবার সন্ধ্যার দিকে তালতলী উপজেলার নলবুনিয়া জয়ালভাঙা এলাকায় পায়রা নদীতে একটি মরদেহ ভাসমান অবস্থায় দেখা যায়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরবর্তীতে স্বজনরা মরদেহটি নিখোঁজ জুঁইয়ের বলে শনাক্ত করেন।
বরগুনা সদর ফায়ার স্টেশনের স্টেশন কর্মকর্তা মো. ইমদাদুল হক জানান, নিখোঁজের পর থেকেই ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উদ্ধার অভিযান চালিয়ে আসছিলেন। নদীতে তীব্র স্রোত থাকায় উদ্ধারকাজে বিভিন্ন ধরনের প্রতিবন্ধকতা ছিল।
বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহাদাৎ হাচনাইন পারভেজ জানান, জুঁই নিখোঁজ হওয়ার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়। পরে তালতলীর জয়ালভাঙা এলাকায় মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। এরপর পুলিশ গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন