প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
শুরুতেই এবাদত-হাসানের দুর্দান্ত বোলিংয়ে দুই উইকেট তুলে নিলেও তৃতীয় উইকেট জুটিতে রহমত শাহ ও সেদিকুল্লাহ আতালের ব্যাটিং বাংলাদেশকে চাপে রেখেছিল। এবাদত আবারও সেই জুটি ভেঙে দেন। তবে আফগানিস্তান এখনও ড্রয়ের আশা রাখছে। পঞ্চম ও শেষ দিনে বাংলাদেশকে জিততে হলে আরও ৭ উইকেট নিতে হবে।
চতুর্থ দিনের শেষে আফগানিস্তান ৩ উইকেটে ১৩২ রান তুলেছে। তাদের জয়ের জন্য প্রয়োজন ৩৪৭ রান।
বাংলাদেশের দেওয়া ৪৭৯ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে আফগানিস্তানের উদ্বোধনী জুটি ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে ভেঙে যায়। টাইগার পেসার এবাদত হোসেনের করা বলে কটবিহাইন্ড হয়ে আউট হন আব্দুল মালিক। তার ব্যাট থেকে আসে ২ রান। পরবর্তী উইকেটে নামা শহীদুল্লাহকে ১৪ রানে আউট করেন হাসান মাহমুদ।
দ্রুত দুই উইকেট হারানোর পরেও তৃতীয় উইকেট জুটিতে চাপ সামলে নেন ওপেনার সেদিকুল্লাহ আতাল ও অভিজ্ঞ রহমত শাহ। এই দুই ব্যাটার সতর্কতার সঙ্গে খেলছিলেন। তবে আফগানরা দিন শেষ করতে পারেনি। রহমত এবাদত হোসেনের বলে কটবিহাইন্ড হয়ে আউট হন। তিনি ১২৪ বল খেলে ৫১ রান করেন।
এরপর হাশমতউল্লাহ শহীদিকে নিয়ে দিন শেষ করেন আতাল। আতাল ১২৬ বলে ৩৫ রান এবং হাশমত ২৭ বলে ১৯ রান করে অপরাজিত থাকেন।
এদিকে তৃতীয় দিনের শেষ বিকেলের ঝড়ে বাংলাদেশ ১১ রানের ব্যবধানে তিন উইকেট হারিয়েছিল। চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করে তারা ৬ উইকেটে ২২৩ রানে। লিটন ৫ রানে অপরাজিত থাকলেও মিরাজ তখনও রান খোলেননি।
এই দুজনের জুটিতে বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে দলীয় স্কোর তিনশ পার করে এবং লিড চারশ রানেরও বেশি করে। লিটন ১৪ ও ২৬ রানে জীবন পেয়ে ৬১ বলে টানা দ্বিতীয় ও ক্যারিয়ারের ২২তম হাফ সেঞ্চুরি করেন। তিনি একপ্রান্তে বেশ আগ্রাসী ছিলেন, অন্যদিকে মিরাজ ধীরে এগোচ্ছিলেন।
লিটন দ্বিতীয় ইনিংসে ১৮ রান করার পর ৯ হাজার আন্তর্জাতিক রানের মাইলফলকে পৌঁছান। কায়েস আহমেদের বলেই দুইবার জীবন পান। প্রথমবার স্লিপের ফিল্ডার কামাল ক্যাচ ফেলে দেন এবং পরে কায়েস নিজেই ক্যাচ ধরতে ব্যর্থ হন।
লিটন ও মিরাজের মধ্যে বড় জুটি গড়ে ওঠে। সপ্তম উইকেট জুটিতে তারা ১৪৯ রান তুলেন, যা সফরকারীদের জন্য বড় লিড এনে দেয়।
লিটন ফিফটি করেই থামেননি। ১১৫ বলে সেঞ্চুরি পূরণ করেন। তবে তিনি ১০২ রানে সাজঘরের পথ ধরেন। তার এই অনবদ্য ইনিংসটি ১১৭ বলে ১৪টি চারে সাজানো।
এদিকে মিরাজও ফিফটি পেয়েছেন। তিনি ৯৭ বলে ৫২ রানে অপরাজিত ছিলেন। ৭ উইকেটে ৩৭২ রান করার পর বাংলাদেশ ইনিংস ঘোষণা করে। কিছুক্ষণের মধ্যেই স্বাগতিক আফগানিস্তান ব্যাট করতে নামবে।
এর আগে বাংলাদেশ নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৩৪৬ রান করে। এরপর হাসান মাহমুদ ও এবাদত হোসেনের দুর্দান্ত বোলিংয়ে আফগানিস্তানকে ২৪০ রানে অলআউট করে সফরকারী দল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন