প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) বিভিন্ন অনিয়ম ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগের তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পর পাঁচ শিক্ষক, এক কর্মকর্তা এবং এক কর্মচারীকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১৫তম সিন্ডিকেট সভায় সর্বসম্মতভাবে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। চাকরিচ্যুত হওয়া সাতজনই দীর্ঘ সময় ধরে সাময়িক বরখাস্ত অবস্থায় ছিলেন।
তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অমান্য করা, ভুয়া অভিজ্ঞতার তথ্য দিয়ে চাকরিতে যোগদান করা এবং নিয়োগের সময় বয়স সংক্রান্ত বিভিন্ন অনিয়ম।
চাকরিচ্যুত শিক্ষকদের মধ্যে রয়েছেন: কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের অধ্যাপক ড. পিন্টু চন্দ্র শীল, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (আইইএম) বিভাগের অধ্যাপক ড. সুব্রত তলাপাত্র, এনার্জি সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (ইএসই) বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নিবিড় মণ্ডল, মানবিক ও ব্যবসা বিভাগের অধ্যাপক ড. মাসরুরা মোস্তফা এবং একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শাহরিয়ার রোমান।
এছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার নিমাই চন্দ্র মিস্ত্রি এবং অফিস সহায়ক সত্যজিৎ কুমার দত্তকেও চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মতে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালিত হয়। তদন্তের পর সংশ্লিষ্ট অনেকের কাছ থেকে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছিল। কিছু অভিযুক্ত ব্যাখ্যা দিয়েছেন, আবার কিছু ব্যাখ্যা দেননি। পরে বিষয়গুলো সিন্ডিকেট সভায় উত্থাপিত হলে চাকরিচ্যুতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
কুয়েটের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. আনিছুর রহমান ভূঞা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১৫তম সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সাতজনকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পূর্ব থেকেই অভিযোগ ছিল, যার কারণে তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, অভিযোগের তদন্ত ও ব্যাখ্যা তলবের প্রক্রিয়া শেষে সিন্ডিকেট সভায় সর্বসম্মতভাবে পাঁচ শিক্ষক, এক কর্মকর্তা এবং এক কর্মচারীকে চাকরিচ্যুত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন