প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরি চিকিৎসার জন্য চার বছরের একটি অসুস্থ শিশুকে নেওয়ার পর ট্রলির জন্য টাকা চাওয়া হয়। টাকা দিতে না পারায় অভিযোগ উঠেছে যে, সময়মতো ট্রলি পাওয়া যায়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ৩২ সেকেন্ডের একটি ভিডিওর কারণে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবার অব্যবস্থাপনা নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে।
সোমবার (৫ অক্টোবর) বিকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু ঘটে।
মৃত শিশুটির নাম রুহুল আমিন (৪)। তিনি ফরিদপুর সদর উপজেলার পুরদিয়া গ্রামের মাফুজুরের ছেলে।
স্বজনদের অভিযোগ, শিশুটিকে জরুরি বিভাগে দ্রুত নেওয়ার জন্য স্ট্রেচার বা ট্রলি চাওয়া হলে কর্মচারীরা টাকার দাবি করেন। টাকা দিতে না পারায় ট্রলি মেলেনি। ফলে, স্বজনদের বাধ্য হয়ে শিশুটিকে কোলে নিয়েই ওয়ার্ডের দিকে ছুটতে হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু ঘটে।
এ সময় শিশুটির মুখে অক্সিজেনের মাস্ক ছিল। একজন স্বজন কোলে শিশুটিকে নিয়ে দৌড়াচ্ছিলেন, অন্যরা অক্সিজেন সিলিন্ডার ও স্যালাইনের বোতল বহন করছিলেন। ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালের সেবাব্যবস্থা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।
তবে ট্রলি না পাওয়ার কারণে শিশুটির অবস্থার অবনতি বা মৃত্যু হয়েছে কি না, সেটি নিশ্চিত নয়। স্বজন ও সচেতন মহলের অনেকেই বিষয়টি তদন্ত করে দেখার দাবি জানিয়েছেন।
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের দায়িত্বে থাকা নার্স ও ওয়ার্ডবয়দের সঙ্গে কথা বলেছেন। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, রোগীর স্বজনদের অভিযোগ সঠিক নয়। শিশুটির শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। এ অবস্থায় ট্রলিতে করে তাকে নেওয়া হলে আরও বেশি ঝুঁকি তৈরি হতে পারে—এমন আশঙ্কায় নার্সরা শিশুটিকে ট্রলিতে নিতে নিষেধ করেছিলেন।
ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান বলেন, পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখে পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন