প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার জানিয়েছেন, ছয়টির বেশি দেশ মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দেওয়ার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছে, যা পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছে।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি উল্লেখ করেন, এই চুক্তিটি সম্পূর্ণরূপে প্রতিরক্ষামূলক এবং এর মধ্যে কোনো আক্রমণাত্মক উদ্দেশ্য নেই।
শনিবার (৩ অক্টোবর) পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর উদ্ধৃতি দিয়ে জিও নিউজ জানায়, যদিও ছয়টির বেশি দেশ জোটটিতে যোগ দেওয়ার আগ্রহ দেখিয়েছে, তবে কোন দেশগুলো এ বিষয়ে আগ্রহী, সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানাননি ইসহাক দার।
গত ৭ আগস্ট পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্ক ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ স্বাক্ষর করেছে। পরবর্তীতে এটি মক্কা প্রতিরক্ষা জোট নামে পরিচিতি লাভ করে। ন্যাটোর ৫ নম্বর অনুচ্ছেদের মতো এই চুক্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তিন দেশের মধ্যে যেকোনো একটির ওপর হামলা হলে সেটিকে তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে গণ্য করা হবে। ইয়েমেনের হুথিরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে হামলা শুরু করার কয়েক সপ্তাহ আগে এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
ইসহাক দার জানান, ৩১ আগস্ট মক্কা চুক্তির আওতায় প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই জোটের সদর দপ্তর সৌদি আরবে স্থাপন করা হবে। পাকিস্তান অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল নওমান মাহমুদকে মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের প্রথম মহাসচিব হিসেবে মনোনীত করেছে। দার তাকে ‘খুব ভালো ও ধার্মিক কর্মকর্তা’ হিসেবে বর্ণনা করেন।
ইসহাক দার জানান, মক্কা চুক্তির আওতায় আগামী সপ্তাহে একটি জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সৌদি আরবের সর্বশেষ নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করাই হবে বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য। তার দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি আরব ১৭ থেকে ১৮টি হামলার মুখে পড়েছে।
‘আমরা সৌদি আরবকে রক্ষা করতে বাধ্য’, বলেন ইসহাক দার। তিনি মন্তব্য করেন যে, জাতিসংঘ সনদে এ ধরনের জোটকে পদক্ষেপ নেওয়ার অনুমতি রয়েছে। তার মতে, ন্যাটোও একই ধরনের নীতির ভিত্তিতে কাজ করে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন