প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
চলতি অর্থবছরে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাধারণ ভবিষ্যৎ তহবিল বা জিপিএফের ওপর সর্বোচ্চ ১৩ শতাংশ মুনাফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মুনাফার হার তিনটি স্তরে নির্ধারণ করা হয়েছে, যা টাকার পরিমাণের ওপর নির্ভর করে। গত অর্থবছরেও একই হারে মুনাফা প্রদান করা হয়েছিল।
রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) অর্থ বিভাগ চলতি অর্থবছরের জন্য জিপিএফের মুনাফার হার নির্ধারণ করে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
প্রজ্ঞাপনের তথ্য অনুযায়ী, প্রভিডেন্ট ফান্ডের প্রারম্ভিক স্থিতি অথবা চলতি অর্থবছরে জমা করা চাঁদার পরিমাণ ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত হলে মুনাফার হার ১৩ শতাংশ হবে। ১৫ লাখ টাকার বেশি থেকে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত হলে ১২ শতাংশ মুনাফা পাওয়া যাবে। আর ৩০ লাখ টাকার বেশি হলে মুনাফার হার ১১ শতাংশ হবে।
জিপিএফের আওতায় থাকা সুবিধা বিবেচনায় নিয়ে যেসব প্রতিষ্ঠানে ভবিষ্যৎ তহবিল বা সিপিএফ চালু রয়েছে, সেসব প্রতিষ্ঠান তাদের নিজস্ব নিয়ম অনুযায়ী মুনাফার হার নির্ধারণ করতে পারবে।
সরকারি চাকরিজীবীরা তাদের মূল বেতনের সর্বনিম্ন ৫ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ পর্যন্ত অর্থ জিপিএফে জমা রাখতে পারেন। অন্যদিকে, সিপিএফভুক্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা মূল বেতনের সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ পর্যন্ত চাঁদা জমা দিতে পারেন।
জিপিএফ ও সিপিএফ উভয় ক্ষেত্রেই কর্মীর নিজস্ব জমার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠান বা নিয়োগকর্তার নির্ধারিত অংশ থাকে। সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলো প্রভিডেন্ট ফান্ড ও সিপিএফে মূল বেতনের ৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ অর্থ প্রদান করে থাকে। কর্মীরা মোট জমা অর্থের ওপর চক্রবৃদ্ধি হারে মুনাফা পান।
বাংলাদেশ সার্ভিস রুলস অনুযায়ী, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য গঠিত প্রভিডেন্ট ফান্ডকে জিপিএফ বলা হয়। আর যেসব প্রতিষ্ঠান বা সরকারি চাকরিতে পেনশন ব্যবস্থা নেই, সেখানে কর্মীদের ভবিষ্যৎ আর্থিক সুরক্ষার জন্য সিপিএফসহ বিভিন্ন ধরনের ভবিষ্যৎ তহবিল চালু রয়েছে।
এ ব্যবস্থায় কর্মী তার মূল বেতন থেকে নির্দিষ্ট অংশ জমা করেন এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানও নির্ধারিত হারে অর্থ প্রদান করে। চাকরি শেষে বা বিধি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে কর্মী নিজের ও প্রতিষ্ঠানের জমা অর্থের সঙ্গে অর্জিত মুনাফা একসঙ্গে পান। সাধারণত স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোতে সিপিএফ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন