প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফরকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠান হিসেবে নয়, বরং দেশের স্বার্থ রক্ষা ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার সফর হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি এই সফরকে বাংলাদেশের মর্যাদা ও মানুষের আকাঙ্ক্ষার আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিত্ব হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
মাহ্দী আমিন সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তার নিজ ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এই তথ্য জানান। এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে অংশগ্রহণের জন্য আজ সকালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন।
ফেসবুক পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, যাতায়াতের দুই দিনসহ মোট ছয় দিনের এই সংক্ষিপ্ত সফরে প্রধানমন্ত্রী মূলত চার দিন অবস্থান করবেন। এই সীমিত সময়ে তিনি একের পর এক দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক বৈঠক, জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের কর্মসূচি এবং কূটনৈতিক কার্যক্রমে ব্যস্ত থাকবেন। সফরে প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক সফরসঙ্গী ৩৫ জন, যার মধ্যে ১৫ জন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও বিশেষ সহকারী অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। বাকিরা নিরাপত্তা, সংবাদমাধ্যম ও ব্যক্তিগত দায়িত্বে নিয়োজিত অত্যাবশ্যকীয় ব্যক্তিবর্গ।
মাহ্দী আমিন আরও জানান, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পর তাদের সন্তান, জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশ্বমঞ্চে উপস্থিত হচ্ছেন। তিনি জাতিসংঘের প্ল্যাটফর্ম থেকে বাংলাদেশের মানুষের কথা, সরকারের নীতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরবেন।
জাতিসংঘের অধিবেশনে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রীর মুখপাত্র। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী যখন বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন, তখন সেই সাধারণ পরিষদ অধিবেশনের সভাপতির আসনে থাকবেন তার সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
ফেসবুক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মুখপাত্র আরও বলেন, দীর্ঘ দুই দশকের অনিঃশেষ ত্যাগ-সংগ্রাম ও আন্দোলন-গণঅভ্যূথান পেরিয়ে, গণতান্ত্রিক সরকার বর্তমানে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে। বিপুল ম্যান্ডেট নিয়ে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের মানুষের কণ্ঠ নিয়ে যাচ্ছেন বিশ্বের দরবারে।
মাহ্দী আমিন বলেন, এটি শুধুমাত্র একটি বিদেশ সফর নয়। এটি জাতিসংঘে দেশকে তুলে ধরা নয়, বরং জনগণের আকাঙ্খার আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিত্ব। এটি আবেগ, অনভুতি ও আদর্শের ঐতিহ্য। এটি বাংলাদেশের স্বার্থ, মর্যাদা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে বিশ্বমঞ্চে নতুন ইতিহাসের সূচনা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন