প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন মন্তব্য করেছেন বিতর্কিত ইসলামিক বক্তা ও সংসদ সদস্য আমির হামজার ভাইরাল নারীঘটিত বিষয়টি নিয়ে।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বিকেলে, তিনি তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টে দাবি করেন, আমির হামজার নারীঘটিত বিষয়টি সম্পর্কে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান আগেই অবগত ছিলেন।
রাশেদ খাঁন তার ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেন, "সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমির হামজার নারীঘটিত বিষয়টি সম্পর্কে জামায়াতের আমির ডাক্তার শফিকুর রহমানও জানতেন এবং জাতীয় নির্বাচনের আগেই দলটির শীর্ষ নেতারা এ নিয়ে আলোচনা করেছিলেন।" তিনি আরও দাবি করেন, ইসলামিক বক্তা তারেক মনোয়ার আমির হামজাকে স্মার্টফোন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে বাটন ফোন ব্যবহার করতে বলেছিলেন। রাশেদ খানের অভিযোগ, কুষ্টিয়া-৩ আসনে জামায়াতের যোগ্য প্রার্থী না থাকায় জামায়াত প্রধান আমির হামজাকে মনোনয়ন দেন।
তিনি জানান, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়ার দুজন শিক্ষার্থীর মাধ্যমে তিনি এসব তথ্য-প্রমাণ পেয়েছেন। পোস্টে উল্লেখ করা হয়, "পাওয়া অডিও ও স্ক্রিন রেকর্ডের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য ফ্যাক্ট-চেকিং প্রতিষ্ঠান ‘দ্য ডিসেন্ট’ ও ‘রুমর স্ক্যানার’-এর সঙ্গে তিনি যোগাযোগ করেছেন।" তবে তিনি জানান, তথ্যের সত্যতা পেতে বিলম্ব হওয়ায় অন্য একটি মাধ্যম থেকে অডিও-ভিডিওর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
জামায়াতে ইসলামীর নীতি ও স্লোগান তুলে ধরে রাশেদ খাঁন প্রশ্ন তোলেন, "যেহেতু জামায়াতের স্লোগান হলো 'আল্লাহর আইন চাই, সৎ লোকের শাসন চাই', সেহেতু জামায়াতের আমির ডাক্তার শফিকুর রহমান আমির হামজার মাধ্যমে কেমন আইন ও শাসন চান?"
পোস্টের শেষে তিনি জামায়াত আমিরের প্রতি আহ্বান জানিয়ে লেখেন, ঘটনাটিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর অজুহাত হিসেবে না চালিয়ে, সঠিক তদন্তের মাধ্যমে আমির হামজাকে দল থেকে বহিষ্কার এবং সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করার দাবি জানান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন