প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসির একটি ঘটনা ঘটেছে যেখানে সাজাপ্রাপ্ত আসামি ক্রিস্টা পাইকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা সম্ভব হয়নি, যদিও তাকে দুবার প্রাণঘাতী ইনজেকশন দেওয়া হয়েছিল। ৩০ সেপ্টেম্বর পেন্টোবারবিটাল ইনজেকশন প্রয়োগের পর তিনি বেঁচে যান। হাসপাতালে জ্ঞান ফিরে পাওয়ার পর তার প্রথম প্রশ্ন ছিল, ‘আমি কোথায়?’ এবং ‘আপনি কে?’
পাইকের আইনজীবী র্যান্ডি স্পাইভি জানিয়েছেন, জ্ঞান ফেরার পর তিনি রাগান্বিত এবং বিভ্রান্ত অবস্থায় ছিলেন। তার দুই হাত ফুলে গেছে, এক হাতে রক্ত জমাট বেঁধেছে, নিউমোনিয়া হয়েছে এবং খাবার গিলতে পারছেন না।
১৯৯৫ সালে ১৯ বছর বয়সী কলিন স্লেমারকে হত্যা করার জন্য পাইককে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়, যিনি তৎকালীন প্রেমিক টাডারিল শিপের সঙ্গে এই অপরাধে জড়িত ছিলেন। শিপের বয়স তখন ১৭ বছর হওয়ায় তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়নি এবং তিনি এখনো কারাগারে আছেন।
ব্যর্থ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার পর কয়েকদিন ধরে পাইককে মস্তিষ্কের দিক থেকে মৃত বলে মনে করা হচ্ছিল। তাকে কৃত্রিম জীবনধারণ ব্যবস্থা থেকে সরানোর প্রস্তুতিও চলছিল। তবে মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) হঠাৎ করে তিনি কথা বলতে শুরু করেন।
বুধবার (৭ অক্টোবর) জরুরি শুনানিতে আদালত মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব প্রমাণ সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন। এর মধ্যে ইনজেকশনের নল, সিরিঞ্জ, প্যাকেট, নির্দেশনাপত্র ও লেবেল অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। পাইকের মানসিক অবস্থা-সংক্রান্ত নথিও আদালত চেয়েছে।
এদিকে, টেনেসির গভর্নর বিল লি চলতি বছরের বাকি সময়ের জন্য সমস্ত মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং ব্যর্থতার কারণ অনুসন্ধানের নির্দেশনা দিয়েছেন। অঙ্গরাজ্যের কারা বিভাগের প্রধানও পদত্যাগের ঘোষণা করেছেন।
আইনজীবীদের অভিযোগ, হাসপাতালে পাইকের সঙ্গে যোগাযোগে বাধা দেওয়া হচ্ছে এবং চিকিৎসকদের আপত্তি সত্ত্বেও তাকে বিছানার সঙ্গে শিকলবন্দি করে রাখা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন