প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
ব্যবহারকারীদের উদ্বেগ দিন দিন বাড়ছে স্মার্টফোনে ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা নিয়ে। এই বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে নিয়ে গুগল অ্যান্ড্রয়েড ১৭ অপারেটিং সিস্টেমে নতুন কিছু নিরাপত্তা ব্যবস্থা যুক্ত করেছে, যা ব্যবহারকারীদের সুরক্ষা বাড়াতে সহায়তা করবে। নতুন সংস্করণে কিছু সুরক্ষা ব্যবস্থা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করবে, যা ব্যবহারকারীর সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নির্দিষ্ট ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে কার্যকর হবে।
সাধারণভাবে স্মার্টফোনের গোপনীয়তা রক্ষার জন্য বিভিন্ন অ্যাপের অনুমতি, অ্যাকাউন্ট সেটিংস, লোকেশন নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা অপশন ব্যবহারকারীকে নিজেই পরিচালনা করতে হয়। তবে অ্যান্ড্রয়েড ১৭-তে এই ব্যবস্থায় কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন সংস্করণে ঝুঁকি কমানোর জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ফিচার ডিফল্টভাবে সক্রিয় থাকবে। খবর অ্যান্ড্রয়েড পুলিশ।
প্রযুক্তিবিষয়ক লেখক ক্যাথি হালদিনের মতে, কার্যকর গোপনীয়তা ব্যবস্থার লক্ষ্য হওয়া উচিত স্পষ্ট ঝুঁকির ক্ষেত্রে ডিফল্টভাবেই ব্যবহারকারীকে সুরক্ষিত রাখা এবং কেবল গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের সময় ব্যবহারকারীর অনুমতি চাওয়া।
ওটিপিতে বাড়তি সুরক্ষা
অ্যান্ড্রয়েড ১৭-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ওয়ান-টাইম পাসওয়ার্ড বা ওটিপি সুরক্ষায় এসেছে। নতুন ব্যবস্থায় ওয়েবওটিপি বার্তাও বাড়তি সুরক্ষার আওতায় এসেছে।
যদি কোনো অ্যাপ ব্যবহারকারীর বার্তা পড়ার অনুমতি পায়, তবে বার্তায় থাকা নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটের সঙ্গে অ্যাপটির সম্পর্ক না থাকলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ওই অ্যাপ প্রোগ্রামেটিকভাবে ওটিপি সংগ্রহ করতে পারবে না। ফলে অন্য কোনো অ্যাপ গোপনে ভেরিফিকেশন কোড পড়ে নেওয়ার ঝুঁকি কমে যাবে।
ফোন চুরি বা ছিনতাইয়ের পর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও অ্যান্ড্রয়েড ১৭-তে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। নতুন সংস্করণে ‘থেফট ডিটেকশন লক’ ও ‘রিমোট লক’-এর মতো নিরাপত্তা ব্যবস্থা ডিফল্টভাবে চালু থাকবে।
এছাড়া পিন ও পাসওয়ার্ড ভুলভাবে দেওয়ার ক্ষেত্রে আরও কঠোর সীমা এবং দীর্ঘ বিরতির ব্যবস্থা রাখা হবে। এর ফলে চোরেরা বারবার পিন বা পাসওয়ার্ড দিয়ে ফোনের লক ভাঙার চেষ্টা করতে পারবে না।
অ্যান্ড্রয়েড ১৭-তে বেশ কিছু নিরাপত্তা ব্যবস্থা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করলেও ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহারের ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা হয়েছে।
লোকেশন, কনট্যাক্ট, ক্যামেরা ও মাইক্রোফোন ব্যবহারের মতো সংবেদনশীল অনুমতির ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীই সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। নতুন ‘প্রাইভেসি-ফোকাসড কনট্যাক্ট পিকার’ ফিচারের মাধ্যমে পুরো অ্যাড্রেস বুক কোনো অ্যাপের কাছে তুলে না দিয়ে প্রয়োজনীয় নির্দিষ্ট কনট্যাক্টের তথ্য বেছে দেওয়ার সুযোগ থাকবে।
এছাড়া নতুন লোকেশন বাটনের মাধ্যমে ব্যবহারকারী বর্তমান সেশনের জন্য নির্দিষ্ট লোকেশন অ্যাক্সেস দেওয়ার সুযোগ পাবেন। ফলে অ্যাপকে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ব্যক্তিগত তথ্য দেওয়ার ঝুঁকি কমবে।
নতুন এসব ব্যবস্থার মাধ্যমে অ্যান্ড্রয়েড ১৭-তে ব্যবহারকারীর নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা আরও স্বয়ংক্রিয় এবং কার্যকর করার চেষ্টা করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন