প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন মন্তব্য করেছেন যে, দ্য ডিসেন্ট, রিউমার স্ক্যানারসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলো কি এখনও রিপোর্ট প্রকাশ করেছে যে, আমির হামজার অডিও কথোপকথন এআই প্রযুক্তি দ্বারা তৈরি? তিনি জানান, "আমি কোনো তথ্য শেয়ার করার আগে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে নিই।"
রোববার (৮ নভেম্বর) তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্টে এই কথা বলেন।
পোস্টে রাশেদ খাঁন আরও উল্লেখ করেন যে, জামায়াতের মুখপাত্র নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীর গাড়ি কাণ্ড, ল্যাপটপ চুরি কাণ্ড এবং জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের ভারতীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠকসহ জামায়াত এমপি আমির হামজার নারীঘটিত তথ্য ভেরিফাই করার পরে তিনি সেগুলো শেয়ার করেছেন। তিনি দাবি করেন, "এই তথ্যগুলোর মধ্যে ন্যূনতম ভেজাল নাই এবং তাদের কারোরই এই তথ্যগুলো মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য আমার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা কিংবা চ্যালেঞ্জ করার মতো ন্যূনতম নৈতিকতাও নাই।"
জামায়াতের নেতৃত্বের বিষয়েও সমালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী। তিনি বলেন, "আল্লাহর আইন চাই, সৎ লোকের শাসন চাই" স্লোগান দিয়ে বর্তমানে কোন শ্রেণির লোক জামায়াতের নেতৃত্ব দিচ্ছে, তিনি শুধুমাত্র সেই মুখোশগুলো উন্মোচন করতে চেয়েছেন। তিনি দাবি করেন, "এটি এখন প্রমাণিত সত্য হয়ে গেছে যে, বর্তমান জামায়াত মানেই গাজী নজরুল ইসলাম ও আমির হামজার মতো লম্পটদের আধিক্য।"
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী আরও বলেন, "আওয়ামী ফ্যাসিবাদী জামানায় কে জামায়াত করে আর কে জামায়াত করে না, তা বোঝা মুশকিল ছিলো। কিন্তু গণঅভ্যুত্থানের পরে দেখা গেলো, সুন্নতি লেবাসধারী যাদের বিরুদ্ধে অতীতে নারীঘটিতসহ অন্যান্য অপকর্মের পাহাড়সম অভিযোগ, তাদের অধিকাংশই জামায়াতরূপে আবির্ভূত হয়েছে। অর্থাৎ গাজী নজরুল ও আমির হামজারা জামায়াতে অভিশাপ রূপে নাযিল হয়েছে।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন