প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
ঢাকায় টানা বৃষ্টির ফলে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা নিরসন এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থার কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণের লক্ষ্যে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন।
রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে, প্রশাসক গুলশান, বনানী, মহাখালী, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনের সড়ক, জাতীয় সংসদ ভবন এলাকা, শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া এবং কাজীপাড়া খাল এলাকা দেখেন। এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় দ্রুত জমে থাকা পানি অপসারণের জন্য এবং ভবিষ্যতে জলাবদ্ধতা রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলেন।
এছাড়া তিনি প্রতিটি এলাকায় বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন, ড্রেন ও নালার কার্যকারিতা এবং জলাবদ্ধতার সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন।
গুলশান, বনানী ও মহাখালী এলাকায় চালু রাখা পানি জমে না থাকা নিশ্চিত করার জন্য তিনি দীর্ঘমেয়াদি ও কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও জাতীয় সংসদ ভবন এলাকার সড়কের কার্যকরী ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে তিনি সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর এলাকায় জলাবদ্ধতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
পরিদর্শনের একপর্যায়ে তিনি শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া এবং কাজীপাড়া খালের সার্বিক পরিস্থিতি ঘুরে দেখেন। এসব এলাকায় পানি নিষ্কাশনে কোথায় প্রতিবন্ধকতা রয়েছে তা চিহ্নিত করতে এবং দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন।
প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান নিজে হাঁটু সমান পানির মধ্যে নেমে ড্রেন ও পানি নিষ্কাশন নালার কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় তিনি আশপাশের দোকানদার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের ড্রেন ও নালায় ময়লা-আবর্জনা না ফেলার আহ্বান জানান। তিনি উল্লেখ করেন, নাগরিকদের সচেতনতা ছাড়া জলাবদ্ধতা নিরসনের প্রচেষ্টাগুলি পুরোপুরি সফল হবে না।
পরিদর্শনের সময় প্রশাসক কাজীপাড়া ও শেওড়াপাড়া এলাকায় আটকে পড়া পথচারীদের মধ্যে খাবার বিতরণ করেন এবং তাদের খোঁজখবরও নেন।
এছাড়া, পরিদর্শনের সময় ডিএনসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা, প্রধান প্রকৌশলী, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, প্রশাসকের একান্ত সহকারী এবং স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন