প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এ বিষয়ে মন্তব্য করেছেন যে, ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে কেউ বিভ্রান্ত না হন। তিনি উল্লেখ করেছেন, বিএনপি বিশ্বাস করে, দেশের জনগণ সকল দলের ও মতের উপরে। ফলে, অন্য রাজনৈতিক দলের ভোট দেওয়া নারীরাও এই কার্ডের অধিকারী হবেন।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর পল্লবীতে ঢাকা-১৬ আসনে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির মাঠ পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি জানান, তথ্য সংগ্রহকারীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে নারীদের নাম, বাবার নাম, জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বরসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করবেন। তথ্য সংগ্রহের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে ধাপে ধাপে কার্ড বিতরণ করা হবে।
আমিনুল হক আরও বলেন, চলতি বছরের মধ্যে সারা দেশে প্রায় ৪১ লাখ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের সরকারি পরিকল্পনা রয়েছে। পরবর্তীতে আরও বেশি পরিবারকে এই কর্মসূচির আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
পল্লবী ও রূপনগরের উর্দুভাষী জনগণের স্থায়ী পুনর্বাসনের বিষয়ে তিনি বলেন, এ অঞ্চলের উর্দুভাষীদের পুনর্বাসন নিয়ে গৃহায়ণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে। ইতোমধ্যে পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে স্থায়ী পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
তিনি বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রদানকারীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তা ও গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তাদের বসিয়ে দেওয়া হবে, যাতে তারা সরাসরি বিষয়টি জানতে পারেন।
আমিনুল হক বলেন, বিএনপির নাম ব্যবহার করে কেউ যদি অন্যায় বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে, তাহলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, অন্যায়কারীদের আইনের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে এবং তারা বর্তমানে কারাগারে রয়েছে।
সরকারের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ তুলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, একটি মহল সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। তিনি এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানান, এ ধরনের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য।
তিনি আরও জানান, পল্লবীর আলীনগরে একটি সরকারি হাসপাতাল নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালের জন্য প্রায় ১০ একর জমি বরাদ্দের প্রক্রিয়া এগোচ্ছে।
আমিনুল হক বলেন, এলাকায় পানির সংকট নিরসনে পানির পাম্প স্থাপন, রাস্তাঘাট সংস্কার, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং দখল হয়ে যাওয়া খেলার মাঠ উদ্ধার করে খেলাধুলার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন