প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
বাংলাদেশ আগেই বাদ পড়েছে ত্রিদেশীয় সিরিজ থেকে। গত রাতে ফাইনালে আফগানিস্তান জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে মুখোমুখি হয়েছিল। সেই ম্যাচে আফগানিস্তান দুর্দান্ত একটি জয় অর্জন করেছে। ফাইনালে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক সিকান্দার রাজা। কিন্তু ব্যাটিংয়ে তারা শুরু থেকেই বিপর্যয়ে পড়ে যায়। মাঝের সারিতে প্রতিরোধ গড়েন রাজা ও রায়ান বার্ল। রাজা ৬৮ রান করেন এবং বার্লের সংগ্রহ ছিল ৩১ রান।
ফজলহক ফারুকি ও আজমতউল্লাহ ওমরজাই অসাধারণ বোলিং প্রদর্শন করেন। তাদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের ফলে আফগানিস্তান ম্যাচে এগিয়ে যায়। পাওয়ারপ্লে শেষ হওয়ার আগেই জিম্বাবুয়ে ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলে। পাওয়ারপ্লে শেষে বিলাল সামি অভিজ্ঞ ব্রেন্ডন টেলরকে আউট করেন। ৫৬ রানে ৪ উইকেট হারানোর ফলে জিম্বাবুয়ে আরও চাপে পড়ে যায়।
তবুও রাজা ও বার্ল ৬০ রানের একটি জুটি গড়েন। ২৭তম ওভারে সেই জুটি ভেঙে যায়। মোহাম্মদ নবীর বলে বার্ল ক্যাচ দেন বিলালের হাতে। এরপর জিম্বাবুয়ের বাকি ব্যাটসম্যানরা দ্রুত আউট হতে শুরু করেন। নবী ও রশিদ খান মিলে জিম্বাবুয়ের টেইল এন্ডকে গুঁড়িয়ে দেন।
বোলারদের মধ্যে রশিদ খান ছিলেন সেরা। তিনি ৪১ রানে ৩ উইকেট নেন। বিলাল ২৭ রানে ২ উইকেট নেন। ফারুকি ৪১ রানে ২ এবং নবী ২৫ রানে ২ উইকেট দখল করেন।
জয়ের লক্ষ্য ছিল ১৭০ রান। শুরুতে ইব্রাহিম জাদরান ঝড় তোলেন। তাকে সহায়তা করেন রহমানুল্লাহ গুরবাজ। গুরবাজ খোলা হাতে ব্যাট চালিয়ে দলকে জয়ের দিকে নিয়ে যান। দশম ওভারে গুরবাজ আউট হন, তখন আফগানদের রান ছিল ৬৮।
১১ থেকে ২০ ওভারে জিম্বাবুয়ের বোলিং ছিল অনেক শৃঙ্খলাবদ্ধ। এই সময়ে তারা সেদিকউল্লাহ আতালকে আউট করে। আতাল ৬ রান করেন। এই ১০ ওভারে রান ওঠে মাত্র ৩০। তবে প্রয়োজনীয় রানের হার ছিল প্রায় দুইয়ের কাছাকাছি। তাই আফগান ব্যাটারদের তাড়া করার তাড়াহুড়ো ছিল না। তারা সাবধানে খেলতে থাকে এবং লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যায়।
অধিনায়ক রহমত শাহ জাদরানকে সঙ্গ দেন। ২৭তম ওভারে সিকান্দার রাজাকে দুটি বাউন্ডারি মেরে তারা আবার গতি বাড়ান। শেষ পর্যন্ত ওয়েসলি মাধেভেরে রহমতকে আউট করেন। রহমত ৪৩ রান করেন। তবুও ৩৫তম ওভারে আফগানিস্তান জয় নিশ্চিত করে। জাদরান অপরাজিত থাকেন ৭০ রানে।
সিরিজের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ে জিতেছিল। তারা বাংলাদেশকে ৯৯ রানে পরাজিত করে। সেই জয়ে বড় ভূমিকা পালন করেন ক্রেইগ আরভিনের ৯৩ ও ব্রেন্ডন টেলরের ৮১ রানের ইনিংস।
এরপর পরপর দুই ম্যাচে আফগানিস্তান নিজেদের শক্তি প্রদর্শন করে। তারা জিম্বাবুয়েকে ১৫৮ রানে পরাজিত করে। বাংলাদেশকে তারা সাত উইকেটে হারায়। এই দুই জয়ে তারা ফাইনাল নিশ্চিত করে। দুই ম্যাচে রশিদ খান মোট আট উইকেট নেন।
এবার আফগানিস্তান আবার জিম্বাবুয়ের মুখোমুখি হবে। প্রথমে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ এবং পরে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ অনুষ্ঠিত হবে। সব ম্যাচই শারজায় অনুষ্ঠিত হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন