প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
গত বছরের (২০২৫ সালের) আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দিয়েছে গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদেরের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি। দলের আয় হয়েছে গত বছরে এক কোটি ৮২ লাখ ৪ হাজার ২৭০ টাকা, অন্যদিকে একই সময়ে ব্যয় হয়েছে এক কোটি ৮৭ লাখ ৯৩ হাজার ৪৩৩ টাকা। তবে, বর্তমানে তাদের ব্যাংকে জমা আছে ৭৮ লাখ ৬১ হাজার ৭৩১ টাকা।
২০১৫ সালের ২৬ জুলাই, রবিবার, আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের কাছে গত বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দেন জাপার অতিরিক্ত মহাসচিব রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া।
সাংবাদিকদের তিনি পরে বলেন, ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত আমাদের দলের আয় হয়েছে এক কোটি ৮২ লাখ ৪ হাজার ২৭০ টাকা, একই সময়ে ব্যয় হয়েছে এক কোটি ৮৭ লাখ ৯৩ হাজার ৪৩৩ টাকা। এর ফলে আমাদের ৫ লাখ ৭৯ হাজার ১৬৩ টাকা বেশি খরচ হয়েছে। তবে, ২০২৪ সালের স্থিতিসহ ব্যাংকে জমা ছিল ২ কোটি ৬৬ লাখ ৫৫ হাজার ১৬৪ টাকা। ২০২৫ সালের খরচ শেষে এখন ৭৮ লাখ ৬১ হাজার ৭৩১ টাকা জমা আছে।
রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া আরও জানান, এ বছর নির্বাচন হওয়ায় আমাদের খরচ বেশি হয়েছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জাপার সমর্থিত প্রার্থী থাকবে এবং তিনি বলেন, এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলগতভাবে অংশ নেওয়ার সুযোগ নেই। তবে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনের বাইরে থাকে না, তারা সমর্থন করে। গতবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী দিলেও এবার আমাদের প্রার্থীরা নিজেদের মতো অংশ নেবেন এবং আমাদের তাতে সমর্থন থাকবে।
সদ্য পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিচার দাবি প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, তিনি অসুস্থতাজনিত কারণে পদত্যাগ করেছেন। তাই রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন সংবিধান বিরোধী কার্যক্রম করেছিলেন কি না, তা দেখার বিষয়। ওই কার্যক্রম না করলে আমরা কেন তার গ্রেফতারের দাবি করবো? এ বিষয়ে জাপার কোনো মন্তব্য নেই।
আওয়ামী লীগের ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পরে জাপায় ভাঙন হয়েছে, এর প্রভাব সম্পর্কে জানতে চাইলে দলটির অতিরিক্ত মহাসচিব বলেন, যারা দল ভেঙেছিল, তাদের অধিকাংশই জি এম কাদেরের নেতৃত্বে ফিরে এসেছেন। তিনি বলেন, আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সারাদেশে আমরা ভালো করবো এবং কিছু অঞ্চলভেদে আমাদের প্রার্থীরা ভালো ফলাফল করবে বলে প্রত্যাশা করি। তিনি আরও মন্তব্য করেন যে, এ ভাঙনের প্রভাব তৃণমূলে নেই এবং দুই অংশ একীভূত হওয়ার সম্ভাবনা থাকতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন