প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হাম রোগের উপসর্গে আরও দুই শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। একই সময়ে ৯২ জনের শরীরে হাম নিশ্চিত হয়েছে এবং এক হাজার ২৫৭ জনের মধ্যে হাম সংক্রান্ত উপসর্গ দেখা গেছে। ১৫ মার্চ থেকে হাম ও এর উপসর্গে মোট মৃতের সংখ্যা এখন ১ হাজার ৬৫ জনে পৌঁছেছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদন ও কন্ট্রোলরুমের বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। হিসাবটি সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার সময়সীমার মধ্যে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গ নিয়ে ঢাকা ও খুলনা বিভাগে একজন করে শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিত হাম রোগে এ সময়ে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। ১৫ মার্চ থেকে নিশ্চিত হাম রোগে ১০১ জন এবং হাম উপসর্গ নিয়ে ৯৬৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।
ঢাকা বিভাগে হাম উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, যেখানে ৪৩৩ জন মারা গেছে। এর পর সিলেট বিভাগে ১৬৯ জন, রাজশাহী বিভাগে ৯৩, ময়মনসিংহে ৭৮, চট্টগ্রামে ৭৬, বরিশালে ৬০, খুলনায় ৪১ এবং রংপুরে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম উপসর্গ নিয়ে আরও ১ হাজার ২৫৭ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১ হাজার ১৭৬ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যানে, ঢাকা বিভাগে ৩৬৫ জন, চট্টগ্রামে ২৫০, সিলেটে ১৬৮, বরিশালে ১২৩, খুলনায় ১২৩, ময়মনসিংহে ৭৫, রাজশাহীতে ২৭ এবং রংপুরে ১৫ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
১৫ মার্চ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাম উপসর্গে মোট ১ লাখ ৬০ হাজার ৯৮০ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ১ লাখ ৫৪ হাজার ৫১০ জন চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সন্দেহভাজন হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৮২ হাজার ২৯২ জন। একই সময়ে ২০ হাজার ৭৩৮ জনের মধ্যে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে।
শুধু গত ২৪ ঘণ্টায় ৯২ জনের শরীরে হাম নিশ্চিত হয়েছে। একই সময়ে হাম উপসর্গ নিয়ে নতুন ১ হাজার ২৫৭ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। অর্থাৎ সন্দেহভাজন ও নিশ্চিত হাম মিলিয়ে নতুন রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৩৪৯ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ১৫ মার্চ থেকে দেশে হাম সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করে আসছে। তবে হাসপাতালে আসা সব রোগী কিংবা হাসপাতালের বাইরে থাকা সব সন্দেহভাজন রোগীর হাম পরীক্ষা করা হয় না। ফলে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হওয়া রোগীর প্রকৃত সংখ্যা নির্ধারণ করা সম্ভব হচ্ছে না।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন