প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
সাতক্ষীরা সদর থেকে শ্যামনগরের ভেটখালী পর্যন্ত ৬২ কিলোমিটার আঞ্চলিক মহাসড়কের নির্মাণকাজ ধীরগতিতে চলছে, কারণ বিদ্যুতের খুঁটি সময়মতো সরানো হয়নি। এর ফলে সড়ক সম্প্রসারণে সমস্যা তৈরি হচ্ছে এবং খুঁটি সরানোর সময় বিদ্যুৎ বন্ধ থাকায় স্থানীয় জনগণের ভোগান্তি বাড়ছে।
সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ খুঁটি সরাতে নিয়োজিত পল্লী বিদ্যুতের ঠিকাদারদের গড়িমসিকে কাজের ধীরগতির জন্য দায়ী করেছেন। সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুত সমিতি জানিয়েছে, তারা আশা করছেন সেপ্টেম্বরের শেষে না হলেও অক্টোবরের মধ্যে খুঁটি সরানোর কাজ সম্পন্ন হবে।
সওজের সূত্রে জানা গেছে, ৮২২ কোটি টাকা ব্যয়ে সড়কটির সম্প্রসারণ ২৪ ফুট থেকে ৩৪ ফুটে করা হচ্ছে। বর্ধিত অংশে ১ হাজার ২০০টি বিদ্যুতের খুঁটি সরিয়ে পুনঃস্থাপনের জন্য ১১ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে। গত বছরের জুলাইয়ে ছয়জন ঠিকাদারকে কাজ দেওয়া হলেও চলতি বছরের জুনের মধ্যে খুঁটি সরানোর কাজ শেষ হয়নি। বর্তমানে প্রায় ৫৫ শতাংশ খুঁটি সরানো হয়েছে। প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
সম্প্রতি দেবহাটার গাজীরহাট এলাকায় কালভার্ট নির্মাণের জন্য সড়ক খোঁড়া হয়েছে। যদিও পাশের বাইপাস দিয়ে যানবাহন চলাচল করছে, তবে মহাসড়কের মাঝখানে বিদ্যুতের খুঁটি থাকায় ঝুঁকি নিয়ে যান চলাচল করছে। এর ফলে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে।
সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী আনোয়ার পারভেজ বলেছেন, "পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির নিয়োগ করা ঠিকাদারদের গড়িমসির কারণে খুঁটি সরানোর কাজ পিছিয়ে আছে। খুঁটি না সরানো পর্যন্ত সড়ক সম্প্রসারণের কাজও করা যাচ্ছে না।"
পল্লী বিদ্যুতের ঠিকাদার শাহবাজ খান জানিয়েছেন, "বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ না রেখে খুঁটি সরানো সম্ভব নয়। তবে মানুষের ভোগান্তি কমাতে ধাপে ধাপে কাজ করা হচ্ছে।"
সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুত সমিতির জিএম আজিজুর রহমান বলেন, "৫৫ শতাংশের বেশি কাজ শেষ হয়েছে। সেপ্টেম্বরে সম্ভব না হলেও অক্টোবরের মধ্যে খুঁটি সরানোর কাজ শেষ হবে বলে আশা করছি।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন