প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
মধ্যপ্রাচ্যে আট মাস ধরে চলমান যুদ্ধের নতুন করে শুরুর শঙ্কা বৃদ্ধি পাওয়ার প্রেক্ষাপটে, সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা ইরানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এই বৈঠকটি সোমবার (২৬ অক্টোবর) তেহরানে অনুষ্ঠিত হয় এবং তেহরান এটিকে ‘খুব ভালো’ বলে অভিহিত করেছে।
সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত এক বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, চলমান সংকটের প্রেক্ষাপটে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে উত্তেজনা কমানোর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে তিন দেশের কর্মকর্তারা ইরান সফর করেছেন। গত আগস্টে সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কায় প্রতিরক্ষা জোট গঠনের পর এটি ছিল দেশ তিনটির কর্মকর্তাদের প্রথম যৌথ সফর।
বৈঠকে সৌদি আরবের প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমানসহ অন্যান্য জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। যুক্তরাষ্ট্র, ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে নতুন করে সংঘাতের শঙ্কা প্রকাশের পর এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রতিনিধিদলটি ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে বৈঠক করেছে। তবে আলোচনা শেষে কোনো নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত বা ঘোষণা প্রকাশিত হয়নি। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো আলোচনা অব্যাহত রাখতে সম্মত হয়েছে।
ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান মোহসেন রেজাই মন্তব্য করেছেন, তেহরানের বৈঠকটি ‘খুব ভালো’ হয়েছে। তার মতে, ‘আমার মনে হচ্ছে, এই অঞ্চলে একটি নতুন পরিবেশ তৈরি হচ্ছে। আলোচনায় আমি খুব ইতিবাচক পরিবেশ অনুভব করেছি।’
রেজাই আরও জানান, আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকেই নিশ্চিত করতে হবে এবং যেকোনো ধরনের বিদেশি হস্তক্ষেপ প্রতিরোধ করতে হবে—এ বিষয়ে বৈঠকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, দক্ষিণ লেবানন, দক্ষিণ সিরিয়া, গাজা ও পশ্চিম তীরে ইসরাইলের দখলদারিত্বের বিষয়টিও আলোচনায় উঠে এসেছে। তবে নতুন করে সংঘাত ঠেকাতে এই উদ্যোগ কতটা কার্যকর হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন