প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
অ্যামাজনের প্রাইম সেবার কিছু গ্রাহক এবার সর্বোচ্চ ২০০ ডলার পর্যন্ত অর্থ ফেরতের সুবিধা পাবেন। যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল বাণিজ্য কমিশনের সঙ্গে করা ২৫০ কোটি ডলারের সংশোধিত সমঝোতার আওতায় গ্রাহকদের বিভ্রান্ত করে প্রাইম সেবায় যুক্ত করার অভিযোগে এই অর্থ ফেরত দিচ্ছে অ্যামাজন।
ফেডারেল বাণিজ্য কমিশন জানায়, পূর্বের তুলনায় এবার আরও অধিক সংখ্যক গ্রাহক অর্থ ফেরত পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। একই সঙ্গে সর্বোচ্চ ফেরতের পরিমাণ ৫১ ডলার থেকে বৃদ্ধি করে ২০০ ডলার করা হয়েছে।
বর্তমান বছরের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত অ্যামাজন গ্রাহকদের ৮৪ কোটি ৫০ লাখ ডলারের বেশি অর্থ ফেরত দিয়েছে। সমঝোতার শর্ত অনুযায়ী, গ্রাহকদের মোট ১৫০ কোটি ডলার ফেরত দেওয়ার পাশাপাশি অ্যামাজনকে ১০০ কোটি ডলার জরিমানা দিতে হবে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৩ জুন থেকে ২০২৫ সালের ২৩ জুনের মধ্যে প্রাইম সেবায় যুক্ত হওয়া গ্রাহকরা অর্থ ফেরত পাওয়ার সুযোগ পাবেন। এর আগে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে জারি করা আদেশ অনুযায়ী, যারা এক বছরে ১০টির কম প্রাইম সুবিধা ব্যবহার করেছিলেন, কেবল তাদের অর্থ ফেরতের আওতায় রাখা হয়েছিল।
সংশোধিত নিয়মে এক বছরে সর্বোচ্চ ২০টি প্রাইম সুবিধা ব্যবহার করা গ্রাহকরাও অর্থ ফেরত পাবেন। ফলে কয়েক লাখ নয়, বরং লাখো গ্রাহক নতুনভাবে অর্থ ফেরতের জন্য যোগ্য হয়েছেন বলে জানায় ফেডারেল বাণিজ্য কমিশন।
অতিরিক্ত যোগ্য গ্রাহকদের অর্থ ফেরত দেওয়া বৃহস্পতিবার থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে শুরু করেছে অ্যামাজন। একজন গ্রাহক সর্বোচ্চ ২০০ ডলার পর্যন্ত ফেরত পেতে পারেন।
এছাড়া ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্ধারিত অর্থ ফেরতের লক্ষ্য পূরণ না হলে, যারা ইতোমধ্যে এই সমঝোতার আওতায় অর্থ পেয়েছেন, তাদের আরও ১৪৯ ডলার করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। সব যোগ্য গ্রাহককে ২০২৭ সালের এপ্রিলের মধ্যে অর্থ ফেরত দেওয়া হবে।
গ্রাহকদের অর্থ ফেরত দেওয়া হবে বৈদ্যুতিন মাধ্যমে। এর মধ্যে ভেনমো বা পেপালের মাধ্যমে অর্থ পাঠানো হতে পারে। এছাড়া ডাকযোগে চেকও পাঠানো হবে।
ফেডারেল বাণিজ্য কমিশন জানিয়েছে, অর্থ ফেরত পেতে গ্রাহকদের কোনো আবেদন করতে হবে না। কোনো নোটিশের জবাব দেওয়ার বা কাগজপত্র পূরণের প্রয়োজন নেই।
অ্যামাজনই পুরো অর্থ ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া পরিচালনা করছে। এ বিষয়ে ফেডারেল বাণিজ্য কমিশন গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে না। কমিশনের নাম ব্যবহার করে কেউ অ্যামাজনের অর্থ ফেরতের বিষয়ে গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে সেটি প্রতারণার চেষ্টা হতে পারে বলে সতর্ক করেছে সংস্থাটি।
সূত্র: সিবিএস নিউজ
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন