প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
রাজধানীর হাজারীবাগে এ জে আর কুরিয়ার সার্ভিসের গুদাম ও কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর এবং লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে দুর্বৃত্তদের দ্বারা। অভিযোগ রয়েছে যে, জমির ভাড়া শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত ইমনকে দিতে হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়েছে। হামলাকারীরা এ সময় কয়েক লাখ টাকার পণ্য, ল্যাপটপ, সিসিটিভি ক্যামেরা এবং ফুটেজ সংরক্ষণের যন্ত্র খুলে নিয়ে যায়। এই ঘটনার পর প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে শিকদার মেডিকেল কলেজসংলগ্ন প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে। হাজারীবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা জানান, সন্ধ্যায় শতাধিক ব্যক্তি কার্যালয়ের সামনে জড়ো হন। প্রথমে তাঁরা আশপাশের বাড়ির সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ করে দেন। পরে মুখোশ ও হেলমেট পরা একদল ব্যক্তি দেয়াল টপকে কার্যালয়ের ভেতরে প্রবেশ করেন। তাঁরা নিরাপত্তাকর্মীদের হুমকি দিয়ে গুদামে ঢুকে সিসিটিভি ক্যামেরা ও ডিভিআর খুলে নেন। এরপর কার্যালয়ের আসবাব ভাঙচুর করে এবং কয়েকটি ল্যাপটপসহ বিভিন্ন পণ্য লুট করে নিয়ে যান।
এ জে আর গ্রুপের কর্মকর্তারা জানান, প্রায় দুই বছর আগে শিকদার গ্রুপের কাছ থেকে চুক্তির মাধ্যমে জমিটি ভাড়া নেয় এ জে আর কুরিয়ার সার্ভিস। সেখানে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান গুদাম ও কার্যালয় নির্মাণ করা হয়। চুক্তি অনুযায়ী এত দিন শিকদার গ্রুপকে নিয়মিত ভাড়া দিয়ে আসছিল প্রতিষ্ঠানটি।
কর্মকর্তাদের অভিযোগ, হামলাকারীরা দাবি করেন, শিকদার গ্রুপের মালিকের সঙ্গে তাঁদের কথা হয়েছে। এখন থেকে জমির ভাড়া শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমনকে দিতে হবে। অন্যথায় সেখানে ব্যবসা করতে দেওয়া হবে না বলে নিরাপত্তাকর্মীদের হুমকি দেন তাঁরা। তবে শিকদার গ্রুপের মালিকের সঙ্গে হামলাকারীদের কথিত যোগাযোগের বিষয়টি স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা আরও জানান, এই গুদাম ও কার্যালয় থেকে প্রতিদিন প্রায় ৪০০টি গাড়ির মাধ্যমে সারা দেশে পণ্য পরিবহন করা হয়। হামলা ও লুটপাটের পর কার্যক্রম বন্ধ থাকায় পণ্য পরিবহন ব্যাহত হচ্ছে।
হাজারীবাগ থানার ওসি মোশাররফ হোসেন বলেন, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমনের নাম ব্যবহার করে একটি দল কার্যালয়ে ভাঙচুর ও হুমকি দিয়েছে বলে জানা গেছে। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। কাউকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাতে দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন