প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
বাগেরহাটের কচুয়ায় ঘটে যাওয়া তিনটি হত্যাকাণ্ডের রহস্য পুলিশ উদঘাটন করেছে।
এই ঘটনায় তিনজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে একটি কালো রঙের মোবাইল ফোন এবং একটি মোবাইল ফোনের চার্জার উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাগেরহাটের পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার তার কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য প্রকাশ করেন।
তিনি জানান, কচুয়া থানার চান্দেরকোলা গ্রামের চন্দ্রসেকোনা এলাকায় ২ আগস্ট রাত থেকে ৪ আগস্ট ভোরের মধ্যে একই পরিবারের তিন সদস্যকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। এই হত্যাকাণ্ডের পর ৪ আগস্ট বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে কচুয়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। এ ঘটনার পর কচুয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
হত্যাকাণ্ডের পর বাগেরহাট জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি দক্ষ দল এবং কচুয়া থানা পুলিশ যৌথভাবে তদন্ত শুরু করে। তদন্তের এক পর্যায়ে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় জাহিদুল ইসলাম নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্য এবং অন্যান্য তদন্তের ভিত্তিতে আরও দুই আসামি আসাদুল শেখ এবং মো. আরিফ হাওলাদার ওরফে বাবুকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোবাইল ফোন এবং মোবাইল ফোনের চার্জার উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার পর থেকে পুলিশ বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে কাজ করে আসছিল। প্রযুক্তিগত তথ্য বিশ্লেষণ এবং মাঠপর্যায়ের তদন্তের মাধ্যমে আসামিদের শনাক্ত করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া তিন আসামির মধ্যে জাহিদুল ইসলামের পিতার নাম মৃত মজিদ হাওলাদার, আসাদুল শেখের পিতার নাম মৃত সুলতান শেখ এবং মো. আরিফ হাওলাদার ওরফে বাবুর পিতার নাম বারিক হাওলাদার। তারা বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার চান্দেরকোলা এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, পরকীয়া প্রেমের কারণে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন