প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সরকার একটি স্থিতিশীল, প্রতিযোগিতামূলক ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের জন্য কাজ করছে।
তিনি এ মন্তব্যটি টয়োটা তুশো করপোরেশনের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে করেন।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন করপোরেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ইচিরো কাশিতানি।
প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন এসব তথ্য জানান।
বৈঠকে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা প্রধানমন্ত্রীকে বাংলাদেশে টয়োটার গাড়ি উৎপাদন কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত করেন। তারা জানান, এই উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিল্পায়নের প্রসার, প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং স্থানীয় পর্যায়ে দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে অবদান রাখার আগ্রহ রয়েছে।
প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে টয়োটার কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ, বিনিয়োগের সম্ভাবনা এবং দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করে।
প্রধানমন্ত্রী টয়োটার বিনিয়োগ ও কার্যক্রম সম্প্রসারণের আগ্রহকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশ সরকার দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের জন্য একটি স্থিতিশীল, প্রতিযোগিতামূলক ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করছে।
তিনি উল্লেখ করেন, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রয়োজনীয় নীতি সহায়তা, অবকাঠামোগত সুবিধা এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন। তিনি জানান, যদি টয়োটা তুশো করপোরেশন এসব খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী হয়, তবে সরকার প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও সহায়তা প্রদান করবে।
বৈঠকে টয়োটা পক্ষ থেকে জানানো হয়, তারা বাংলাদেশে টয়োটার ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে, যাতে দেশের সব বিভাগীয় পর্যায়ে সেবা ও কার্যক্রম সহজলভ্য হয়।
এছাড়া, ২০২৭ সালে বাংলাদেশের একটি অর্থনৈতিক অঞ্চলে টয়োটা বাংলাদেশের উদ্যোগে ‘বাংলাদেশের সঙ্গে, বাংলাদেশের জন্য’ উন্নয়ন দর্শনকে সামনে রেখে হাইব্রিড ইলেকট্রিক ভেইকেল (এইচইভি) উৎপাদন শিল্প গড়ে তোলার কাজ শুরু হবে, যা ২০২৯ সালের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ উৎপাদনে যাবে।
টয়োটা বাংলাদেশের মানবসম্পদ উন্নয়নেও অবদান রাখতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তারা বিশেষ করে তরুণদের জন্য কারিগরি ও পেশাগত প্রশিক্ষণের সুযোগ সৃষ্টি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ শিল্পের উপযোগী দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার বিষয়ে আগ্রহী।
বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, প্রধানমন্ত্রীর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ এবং প্রধানমন্ত্রীর এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক বিশেষ সহকারী মো. শাকিরুল ইসলাম খানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অন্যদিকে, টয়োটা তুশো করপোরেশনের মোবিলিটি ডিভিশনের সিইও শিগেরু হারাদা, টয়োটা বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রেসিডেন্ট প্রেমমিত সিংসহ প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: বাসস
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন