প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে রাজধানীর বাইরে তিনটি বিভাগীয় শহর রংপুর ও চট্টগ্রামে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাজশাহীতে অনুষ্ঠিত একটি জনসভাতেও তিনি অংশগ্রহণ করেন।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকালে প্রধানমন্ত্রী প্রথমে রংপুরের উদ্দেশ্যে রাজধানী ত্যাগ করেন, এরপর রাজশাহী এবং শেষ পর্যায়ে রাতে চট্টগ্রামে পৌঁছান।
রংপুর
দুপুর ১২টার দিকে রংপুর নগরের ধর্মসভা রাধাগোবিন্দ মন্দির পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মন্দিরে পৌঁছানোর পর তাকে মন্দির কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বরণ করে নেওয়া হয়। এ সময় তিনি শিশুদের সঙ্গে সেলফি তোলেন এবং পূজামণ্ডপটি ঘুরে দেখেন। মন্দিরের উন্নয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রী ১০ লাখ টাকার চেক প্রদান করেন।
তিনি সেখানে বলেন, "অতীতের রাজনীতি পরিবর্তন করতে চাই। পরিবর্তনের বড় শক্তি জনগণ। অতীতের মতো, জনগণকে পাশে নিয়েই সরকার এগিয়ে যেতে চায়।" তারেক রহমান আরও বলেন, "যারা ভোট দিয়েছেন এবং যারা ভোট দেননি, সরকার সবার জন্যই কাজ করতে চায়।"
রাজশাহী
বেলা ৩টার দিকে প্রধানমন্ত্রী সামরিক বিমানে রাজশাহীর শাহ মখদুম বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। সেখান থেকে তিনি রাজশাহী মাদ্রাসা মাঠের জনসভায় যোগ দেন। শ্রমিক অসন্তোষের ঘটনায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "পরিষ্কার গোয়েন্দা তথ্য আছে, ২ পক্ষ ১ হয়েছে। একজন পয়সা দিচ্ছে সীমান্তের ওপার থেকে, আরেকজন এখানে বসে অস্থিরতা তৈরি করার চেষ্টা করছে।"
চট্টগ্রাম
সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। বিমানবন্দর থেকে তিনি সরাসরি রহমতগঞ্জের জেএম সেন পূজামণ্ডপে যান এবং সেখানে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, "১৯৭১ সালে কোনো ধর্ম দেখিনি, শুধু দেখেছি মুক্তিযুদ্ধ। ২০২৪ সালের গণ অভ্যুত্থানে কেউ জিজ্ঞেস করেনি, গুলি খাওয়া মানুষটি কি মুসলমান নাকি হিন্দু, বৌদ্ধ নাকি খ্রিস্টান। আগামীর বাংলাদেশেও ধর্মের নামে যেন কোনো বিভেদ না থাকে।" তিনি আরও বলেন, "আজ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আপনাদের সামনে এটুকু বলার জন্য উপস্থিত হয়েছি যে, দেশ আপনার, দেশ আমার, আমাদের সকলের। আমরা মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান যে-যাই হই না কেনো, ধর্ম আমাদের নিজস্ব বিষয়। আমাদের একমাত্র পরিচয়- আমরা বাংলাদেশের নাগরিক।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন