প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
জনসংখ্যা, নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ এবং কৌশলগত গুরুত্বের কারণে এশিয়ায় বিশ্বের বৃহত্তম সামরিক বাহিনীগুলোর মধ্যে কিছু গড়ে উঠেছে। ২০২৬ সালের বিভিন্ন পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সক্রিয় সামরিক সদস্যসংখ্যার দিক থেকে এশিয়ায় প্রথম স্থানে রয়েছে চীন, ভারত এবং উত্তর কোরিয়া। এই তিনটি দেশের প্রত্যেকটির সক্রিয় সামরিক সদস্যসংখ্যা ১০ লাখের বেশি রয়েছে।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, চীনের সক্রিয় সামরিক সদস্যসংখ্যা প্রায় ২০ লাখ ৩৫ হাজারের মতো। পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) সদস্যসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বের বৃহত্তম সক্রিয় সামরিক বাহিনী হিসেবে পরিচিত।
তালিকার দ্বিতীয় স্থানে ভারত রয়েছে। দেশটির সক্রিয় সামরিক সদস্যসংখ্যা ১৪ লাখের বেশি। সক্রিয় সদস্যসংখ্যার দিক থেকে ভারত বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম সামরিক শক্তি।
উত্তর কোরিয়া তৃতীয় স্থানে রয়েছে। দেশটির সক্রিয় সামরিক সদস্যসংখ্যা প্রায় ১৩ লাখ ২০ হাজার। জনসংখ্যার তুলনায় সামরিক বাহিনীর আকার যথেষ্ট বড়। জাতীয় নিরাপত্তা কৌশলে সামরিক বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
এশিয়ায় সক্রিয় সামরিক সদস্যসংখ্যায় শীর্ষ ১০ দেশের তালিকা নিম্নরূপ:
চীন: প্রায় ২০ লাখ ৩৫ হাজার।
ভারত: প্রায় ১৪ লাখ ৩১ হাজার।
উত্তর কোরিয়া: প্রায় ১৩ লাখ ২০ হাজার।
পাকিস্তান: প্রায় ৬ লাখ ৬০ হাজার।
ইরান: প্রায় ৬ লাখ ১০ হাজার।
ভিয়েতনাম: প্রায় ৪ লাখ ৫০ হাজার।
দক্ষিণ কোরিয়া: প্রায় ৪ লাখ ৫০ হাজার।
ইন্দোনেশিয়া: প্রায় ৪ লাখ ৫ হাজার।
থাইল্যান্ড: প্রায় ৩ লাখ ৬০ হাজার।
শ্রীলঙ্কা: প্রায় ৩ লাখ ৪৬ হাজার।
পাকিস্তান এবং ইরানের বিশাল সামরিক বাহিনী দেশ দুটির নিরাপত্তা দায়িত্ব এবং ভূরাজনৈতিক চাপের প্রতিফলন।
অন্যদিকে, ভিয়েতনাম এবং দক্ষিণ কোরিয়ার সক্রিয় সামরিক সদস্যসংখ্যা প্রায় সমান। কোরীয় উপদ্বীপের চলমান নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক প্রস্তুতি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। ভিয়েতনামও জাতীয় প্রতিরক্ষা কৌশলের অংশ হিসেবে একটি বড় সামরিক বাহিনী বজায় রেখেছে।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ইন্দোনেশিয়ার সামরিক বাহিনী অন্যতম বৃহৎ। দেশটির বিস্তৃত দ্বীপপুঞ্জ কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথজুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে। ফলে এসব অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ইন্দোনেশিয়ার সশস্ত্র বাহিনীর অন্যতম দায়িত্ব।
সদস্যসংখ্যাই সামরিক শক্তির একমাত্র মাপকাঠি নয়।
এশিয়ার দেশগুলোর সক্রিয় সামরিক সদস্যসংখ্যা তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ব্যাপকতা তুলে ধরে। তবে শুধুমাত্র সেনাসদস্যের সংখ্যা দিয়ে কোনো দেশের সামগ্রিক সামরিক শক্তি নির্ধারণ করা সম্ভব নয়।
সামরিক প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ, অস্ত্র ও সরঞ্জাম, প্রতিরক্ষা বাজেট, রিজার্ভ বাহিনী, রসদ সরবরাহ এবং কৌশলগত সক্ষমতাও সামরিক শক্তির গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। তাই এসব পরিসংখ্যানকে দেশগুলোর সক্রিয় সামরিক বাহিনীর আকারের তুলনা হিসেবে দেখা উচিত; সামগ্রিক সামরিক শক্তির চূড়ান্ত র্যাঙ্কিং হিসেবে নয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন