প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেছেন যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল প্রতিনিধিদের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে আলোচনা হয়েছে কীভাবে বাংলাদেশে ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়ানো যায় এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা যায়।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সেই বৈঠক শেষে তিনি এ বিষয়টি জানিয়েছেন।
মাহদী আমিন আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের (ইউএসবিবিসি) প্রেসিডেন্ট অতুল কশপের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্রের ২৫টি প্রতিষ্ঠানের ৫০ জন প্রতিনিধি বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। বৈঠকে বাংলাদেশে ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়ানো ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তারা গত তিন দিনে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
তিনি জানান, আজ প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং উপদেষ্টাদের একটি অংশের সঙ্গে ৫০ জন প্রতিনিধি বৈঠক করেন। বৈঠকে আলোচনা হয়েছে কীভাবে বিনিয়োগ আরও বাড়ানো যায়, ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ, অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ককে কীভাবে আরও শক্তিশালী ও স্থিতিশীল করা যায়, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, সরকারের ইশতেহার বাস্তবায়নে কীভাবে আমেরিকার বেসরকারি খাত থেকে ভূমিকা রাখা যায়।
এক্সিলারেট এনার্জি, মেটলাইফ, উবার, মেটা, শেভরনসহ ২৫টি প্রতিষ্ঠান বৈঠকে অংশগ্রহণ করেছে। ফলপ্রসূ ও কার্যকরী আলোচনা হয়েছে। মাহদী আমিন বলেন, ভবিষ্যতে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সমৃদ্ধ ও সনির্ভর দেশ গড়তে যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ, সে যাত্রায় আজকের বৈঠক ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
বৈঠক সম্পর্কে দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক ইউএস চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি অতুল কেশপ জানান, বাংলাদেশের সরকারের পরিকল্পনা সম্পর্কে তারা ধারণা পেয়েছেন।
তিনি বলেন, যেভাবে প্রধানমন্ত্রী এবং অন্যান্যদের দ্বারা বাংলাদেশে উষ্ণ অভিনন্দনের সঙ্গে তাদের স্বাগত জানানো হয়েছে, সেটি অত্যন্ত সৌভাগ্য ও আনন্দের। বাংলাদেশে বিনিয়োগে আমেরিকার শীর্ষ প্রতিষ্ঠানগুলো সবসময়ই বিশেষ সুবিধা পেয়ে এসেছে। আমাদের উচ্চপর্যায়ের ব্যবস্থাপনা ও কারিগরি সক্ষমতাও রয়েছে বলে জানান অতুল কেশপ।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পরিষ্কার ধারণা তারা পেয়েছেন। মানবসম্পদের সম্ভাবনা সম্পর্কেও আলোচনা হয়েছে। তিনি বিশ্বাস করেন যে, প্রধানমন্ত্রী দেশকে ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার জন্য স্বপ্ন পূরণ করতে চান। এ লক্ষ্য অর্জনে বেসরকারি খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। অতুল কেশপ বলেন, দশকের পর দশক ধরে চমৎকার এই বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি সহ নানা ইস্যুতে কাজ করে যাচ্ছেন এবং তাদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
অতুল কেশপ আরও বলেন, সামাজিক কল্যাণ, কর্মসংস্থান, সামষ্টিক অর্থনীতি গতিশীল করাসহ নানা ইস্যুতে সরকার থেকে ইতিবাচক বার্তা তারা পেয়েছেন। এসব বার্তা তারা তাদের প্রতিষ্ঠানগুলোকে জানাতে চান। অংশীদারিত্ব ধরে রেখে এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে তারা আশ্বস্ত করেছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন