প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
এক কোটি টাকা যৌতুকের দাবি ও দ্বিতীয় স্ত্রী আতিকিয়া ফাইজাহ মোহনাকে নির্যাতনের অভিযোগে দায়েরকৃত মামলার কারণে সোশ্যাল মিডিয়ার কনটেন্ট ক্রিয়েটর আব্দুল্লাহ আল মামুন, যিনি প্রিন্স মামুন নামেও পরিচিত, তাকে কারাগারে পাঠানোর জন্য আদালত আদেশ দেন।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনিরুল ইসলাম শুনানি শেষে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে এই আদেশ দেন। এর আগের দিন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ভাটারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ইয়াউর রহমান আদালতের কাছে আসামিকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। অপরদিকে, প্রিন্স মামুনের পক্ষ থেকে তার আইনজীবী জামিনের জন্য আবেদন করেন। কিন্তু শুনানির সময় বাদীপক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না।
পুলিশের সূত্র অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টার সময় প্রিন্স মামুনের স্ত্রী আতিকিয়া ফাইজাহ মোহনা রাজধানীর ভাটারা থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলাটি দায়ের হওয়ার পরপরই পুলিশ প্রিন্স মামুনকে গ্রেফতার করে।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, পেশায় ফ্যাশন মডেল মোহনার সঙ্গে প্রায় পাঁচ মাস আগে প্রিন্স মামুনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে তাদের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে বিরোধ চলছিল। বাদীর অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে যে, প্রিন্স মামুন বিভিন্ন নারীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িত এবং সে মাদকাসক্ত। বিষয়গুলো নিয়ে প্রশ্ন তুললে তাকে মারধর করা হতো। বিয়ের পর থেকেই ব্যবসার জন্য এক কোটি টাকা যৌতুক দাবি করা হচ্ছিল। যৌতুক দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হত।
এজাহারে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে প্রিন্স মামুন নেশাগ্রস্ত অবস্থায় মোহনার বাসায় গিয়ে তার বাবা-মায়ের কাছ থেকে এক কোটি টাকা যৌতুক এনে দেওয়ার জন্য চাপ দেন। এতে অস্বীকৃতি জানিয়ে মোহনার সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হলে এক পর্যায়ে তিনি মোহনাকে কিল-ঘুষি ও লাথি মেরে গলা টিপে হত্যার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ আনা হয়েছে। এর ফলে মোহনার বাম চোখের নিচে রক্তাক্ত আঘাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন তৈরি হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন