প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
কক্সবাজারের বন্যাকবলিত অঞ্চল পরিদর্শন শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, ভবিষ্যতে স্লুইসগেটের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পানি উন্নয়ন বোর্ডের পরিবর্তে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা পালন করবেন। এতে প্রয়োজন অনুযায়ী দ্রুত স্লুইসগেট খুলে পানি নিষ্কাশন করা সম্ভব হবে এবং ফলশ্রুতিতে জলাবদ্ধতা ও বন্যার ঝুঁকি কমানোর কাজও সহজ হবে।
শনিবার (১৮ জুলাই) বেলা দু'টোর দিকে পেকুয়ার বন্যাদুর্গত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করার পর, সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
এই সময় তিনি ভাঙা সড়ক, ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, কালভার্ট ও অন্যান্য অবকাঠামো ঘুরে দেখেন। এরপর ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সঙ্গে কথা বলে তাদের দুর্ভোগের খবরও নেন। মন্ত্রী উল্লেখ করেন, বন্যা-পরবর্তী ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো দ্রুত সংস্কারে কাজ করা হচ্ছে।
এর আগে উপজেলা কেন্দ্রীয় মাঠে আলহাজ শামসুল হক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২০টি পরিবারের জন্য ঘর নির্মাণের সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। অনুষ্ঠান চলাকালে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের কাছে ঘর নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ করেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, সাম্প্রতিক বন্যায় পেকুয়াসহ আশপাশের কয়েকটি এলাকায় রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ি ও অন্যান্য অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তিনি নিশ্চিত করেন, সরকার এবং রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থেকে ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হবে।
মন্ত্রী বলেন, আলহাজ শামসুল হক ফাউন্ডেশন অতীতের মতো এবারও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। গৃহহারা মানুষের জন্য ঘর নির্মাণের প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ করে তারা মানবিক দায়িত্ব পালন করেছে। এজন্য ফাউন্ডেশনের সংশ্লিষ্টদের প্রতি ধন্যবাদ জানান।
শামসুল হক ফাউন্ডেশন জানায়, সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসনের জন্য তারা ১০০টি ঘর নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর অংশ হিসেবে প্রথম পর্যায়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সহযোগিতায় পেকুয়ার ২০টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে ঘর নির্মাণের সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে বাকী পরিবারগুলোর কাছে সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার কাজও চলবে।
এর আগে শুক্রবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চকরিয়া উপজেলার বন্যাকবলিত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন এবং অভুক্ত মানুষের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন