প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) আগামী ডিসেম্বর মাসে নবম শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজনের পরিকল্পনা করছে। চলমান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানপ্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর এই পরীক্ষাটি অনুষ্ঠিত হবে।
এদিকে, নবম শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার পদ্ধতিতে কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। প্রচলিত প্রিলিমিনারি এবং মৌখিক পরীক্ষার পাশাপাশি নতুনভাবে লিখিত পরীক্ষাও যুক্ত হতে পারে। তবে, এই বিষয়ে বিধিমালা সংশোধনের পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
এনটিআরসিএর সূত্রে জানা গেছে, ডিসেম্বরে নবম শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নতুন নিয়োগ পরীক্ষার সিলেবাসেও পরিবর্তন আসতে পারে।
প্রস্তাবিত প্রিলিমিনারি পরীক্ষার সিলেবাসে চারটি বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও সাধারণ জ্ঞান প্রতিটি বিষয়ে ২৫ নম্বর করে, মোট ১০০ নম্বরের পরীক্ষা হতে পারে।
সিলেবাস ও নম্বর বণ্টন—
প্রস্তাবিত পরীক্ষা পদ্ধতির অধীনে, প্রার্থীদের তিনটি ধাপে পরীক্ষা দিতে হবে। প্রথম ধাপে ১০০ নম্বরের বহুনির্বাচনি (এমসিকিউ) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এই পরীক্ষার জন্য এক ঘণ্টা সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। সঠিক উত্তরের জন্য এক নম্বর দেওয়া হবে এবং ভুল উত্তরের জন্য শূন্য দশমিক ২৫ নম্বর কাটা যাবে। পাশ করার জন্য ৪০ শতাংশ নম্বর প্রয়োজন।
প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা ১০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন। লিখিত পরীক্ষার জন্য তিন ঘণ্টার সময় থাকবে। এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ২০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে।
প্রস্তাবিত প্রিলিমিনারি পরীক্ষার সিলেবাসে চারটি বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও সাধারণ জ্ঞান প্রতিটি বিষয়ে ২৫ নম্বর করে, মোট ১০০ নম্বরের পরীক্ষা হতে পারে। তবে, পরীক্ষার পদ্ধতি, নম্বর বণ্টন এবং সিলেবাসের বিষয়গুলো বিধিমালা সংশোধনের পর চূড়ান্ত হবে।
এনটিআরসিএর সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানপ্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা চলছে। আগামী ৯ ডিসেম্বর এই পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর নবম শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পাওয়ার পরই পরীক্ষার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এবারের পরীক্ষায় নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তন আসছে। এবারই প্রথম নিবন্ধন পরীক্ষার মাধ্যমে শুধুমাত্র যোগ্যতা যাচাইয়ের পরিবর্তে সরাসরি নিয়োগ দেওয়া হবে। এই কারণে, এটি ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা হিসেবে বিবেচিত না হয়ে নবম শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা হিসেবে গণ্য হবে।
সর্বশেষ ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল ২০২৩ সালের ৪ নভেম্বর। এর প্রায় চার মাস পর ২০২৪ সালের মার্চে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর দীর্ঘ সময় পর নতুন শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার আয়োজন হতে যাচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন