প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের নবীনবরণ উপলক্ষে কনসার্ট আয়োজন নিয়ে যে বিরোধ সৃষ্টি হয়েছিল, তা এখন সমাধান হয়েছে। সেখানে ‘অশ্লীলতা হবে না’ এই শর্তে অনুষ্ঠান আয়োজনের অনুমতি প্রদান করা হয়েছে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামলের বাসভবনে কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ এবং কলেজ কর্তৃপক্ষের মধ্যে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে এ সমঝোতা হয়।
এই বৈঠকে কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদ নেতা আব্দুল খালেকের নেতৃত্বে ৭ থেকে ৮ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল অংশগ্রহণ করে।
আলোচনা শেষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, কলেজের মূল ক্যাম্পাসে কোনো কনসার্ট বা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে না। সেখানে শুধুমাত্র নবীনবরণ এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। অন্যদিকে, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য কলেজের দক্ষিণ ক্যাম্পাসের ভেতরের মাঠ নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে, সেখানে ‘অশ্লীলতা হবে না’ এই শর্তে অনুষ্ঠান আয়োজনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের নেতা আব্দুল খালেক বলেন, তারা দক্ষিণ ক্যাম্পাসের মাঠে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের বিষয়ে একমত হয়েছেন, যেখানে ‘অশ্লীলতা হবে না’ এই শর্ত থাকবে। তিনি আরও জানান, সরকারি কলেজের মূল মাঠে কোনো কনসার্ট বা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে না।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি শাহাদাত হোসেন বলেন, আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির সমাধান করা হয়েছে। নবীনবরণ ও আলোচনা সভা মূল ক্যাম্পাসে এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দক্ষিণ ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হবে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল বলেন, কলেজের লোকজন এবং মাদরাসার ছাত্রদের নিয়ে আলোচনা করার পর একটি সমঝোতা হয়েছে।
এর আগে, নবীনবরণ উপলক্ষে কনসার্ট আয়োজনের বিরোধিতা করে কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করে। পরবর্তীতে সংসদ সদস্যের হস্তক্ষেপে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।
বৈঠকের পর কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ফেসবুক পেজে জানায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ মাঠে কোনো ধরনের কনসার্ট অনুষ্ঠিত হবে না। সেখানে শুধু নবীনবরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে নবীনবরণ, বৃক্ষরোপণসহ অন্যান্য সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলক কার্যক্রম চালু রাখার বিষয়ে মতামত প্রদান করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন