প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় সৌদি আরবকে সামরিক সহায়তা প্রদানের উপায় খুঁজে বের করতে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের চিফ অব স্টাফরা এক জরুরি বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন। ইয়েমেন থেকে ধারাবাহিকভাবে নতুন ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর পাওয়ার পর এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সৌদি প্রেস এজেন্সির তথ্য অনুযায়ী, নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকের পর যৌথ সিদ্ধান্তের কথা জানান সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ, পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইশাক দার এবং তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। তবে তিন দেশের সামরিক প্রধানদের বৈঠকটি কবে অনুষ্ঠিত হবে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা সৌদি আরবের বিভিন্ন বেসামরিক ও অর্থনৈতিক স্থাপনা লক্ষ্য করে সম্প্রতি পরিচালিত হামলাগুলোর তীব্র নিন্দা জানান। নেতারা একইসাথে জাতিসংঘের সনদের ৫১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সৌদি আরবের আত্মরক্ষার পূর্ণ অধিকার রয়েছে বলে পুনর্ব্যক্ত করেন।
এ বছরের ৭ আগস্ট, যৌথ প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদার এবং সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ স্বাক্ষর করে এই তিন দেশ। ন্যাটোর ধাঁচে গঠিত এই চুক্তির মূল শর্ত হলো, তিন দেশের যেকোনো একটি দেশের ওপর সশস্ত্র আক্রমণ হলে তা জোটভুক্ত বাকি সব দেশের ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য হবে।
চুক্তির পর থেকেই তা বাস্তবায়নে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে মিত্র দেশগুলো। গত ৩১ আগস্ট ইস্তাম্বুলে তিন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও সামরিক প্রধানদের উপস্থিতিতে ‘কৌশলগত রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা কমিটি’ গঠন করা হয়। এতে সৌদি আরবে একটি স্থায়ী সচিবালয় স্থাপনসহ কৌশলগত সহায়তা জোরদারের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এর ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) তায়েফ ও ইয়ানবুর দিকে ছোড়া ৬টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করে সৌদি বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন