প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত মূল্য অপেক্ষা বেশি দামে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) জন্য সরকার একটি নির্দেশনার তালিকা প্রকাশ করেছে। নির্ধারিত দামের উপরে সিলিন্ডার বিক্রি হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সচিবালয়ে সরকারের কার্যক্রম সংক্রান্ত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান এই তথ্য প্রকাশ করেন।
এলপিজির সরবরাহ ও বিতরণ পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করতে জ্বালানি বিভাগ সব জেলা প্রশাসকের সঙ্গে একটি অনলাইন মতবিনিময় সভা আয়োজন করেছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা। তিনি উল্লেখ করেন, ওই সভায় এলপিজির বাজার তদারকি ও সরবরাহ ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণের জন্য বিভিন্ন নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
নির্দেশনার মধ্যে রয়েছে, প্রত্যেক জেলা প্রশাসককে তার জেলার সব এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটর ও ডিলারের একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুত করতে হবে। সংশ্লিষ্ট অপারেটর থেকে ফ্র্যাঞ্চাইজি, মাস্টার ফ্র্যাঞ্চাইজি, ডিস্ট্রিবিউটর ও ডিলার কত পরিমাণ এলপিজি পেয়েছেন, সেই তথ্য সংগ্রহ করা আবশ্যক। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিস্তারিত পরিচয় সংগ্রহের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া জেলা প্রশাসকদের অবিলম্বে নিজেদের জেলার এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটর ও ডিলারদের সঙ্গে সভা করতে হবে। ওই সভায় জেলার এলপিজি সরবরাহ, বিতরণ ও বাজারজাতকরণের বাস্তব পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হবে।
সরকারের নির্দেশনায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এলপিজি সরবরাহের পুরো ব্যবস্থার প্রতিটি ধাপ (চ্যানেল) থেকে তথ্য সংগ্রহ করতে হবে, যাতে সরবরাহ ব্যবস্থার প্রতিটি পর্যায় শনাক্ত ও যাচাই করা যায়। কোনো অপারেটর, ফ্র্যাঞ্চাইজি বা ডিস্ট্রিবিউটরের দেওয়া তথ্যের সঙ্গে মাঠ পর্যায়ে ডিলারের পাওয়া এলপিজির পরিমাণে উল্লেখযোগ্য অসামঞ্জস্য দেখা দিলে তা আলাদাভাবে চিহ্নিত করতে হবে।
সংগৃহীত তথ্যে যদি কোনো এলাকায় এলপিজির সরবরাহে অস্বাভাবিক ঘাটতি, সরবরাহ ব্যবস্থায় বিচ্যুতি অথবা অপারেটর থেকে ডিলার পর্যায় পর্যন্ত সরবরাহের পরিমাণে উল্লেখযোগ্য অসামঞ্জস্য পাওয়া যায়, তাহলে তা জ্বালানি বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে।
জাহেদ উর রহমান বলেন, জেলা পর্যায় থেকে প্রাপ্ত তথ্য সমন্বয় করে এলপিজির অপারেটর থেকে ডিলার পর্যায় পর্যন্ত সরবরাহ ব্যবস্থার একটি সমন্বিত তথ্যভান্ডার তৈরি করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে এলপিজির সরবরাহ পরিস্থিতি আরও কার্যকরভাবে তদারক করা সম্ভব হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন