প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
বান্দরবানে হামে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টা মধ্যে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ফলে জেলায় এখন পর্যন্ত ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সঙ্গে ১১ জনের শরীরে হামের উপসর্গ শনাক্ত করা হয়েছে। এর ফলে জেলায় হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন পৌঁছেছে ১৪১৯ জনে।
বুধবার (২৯ জুলাই) জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ শাহীন হোসাইন চৌধুরী এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, রুমা উপজেলায় হামে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা ৭ জন। তাদের মধ্যে ফ্রেলেএং খুমী (৫), শইফ্রা খুমী (৫), খ্রেপা খুমী (১১), পলিএং খুমী (৯), প্রেটেম এং খুমী (৬), কুপাও ম্রো (১৩) এবং পও এং খুমী (৭) রয়েছে।
সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ শাহীন হোসাইন চৌধুরী জানিয়েছেন, ২৯ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত আলীকদম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫৮০ জন, বান্দরবান সদর হাসপাতালে ২১৮ জন, লামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২০৭ জন, থানচি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১৭১ জন, রুমা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১১০ জন, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১১৭ জন, সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১৫ জন এবং রোয়াংছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ জন হামে আক্রান্ত রোগী চিকিৎসা সেবা নিয়েছেন।
রুমা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা. মো. আবদুল্লাহ আল হাসান জানিয়েছেন, গেল দুই সপ্তাহে এ উপজেলায় হামে আক্রান্ত হয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছে ১১০ জন। তবে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়ে কোনো রোগী মারা যাননি।
তিনি আরও জানান, হামে আক্রান্ত পাড়াগুলো দুর্গম জায়গায় অবস্থিত হওয়ায় হাসপাতালে আনার পথে আক্রান্ত শিশুরা মারা যান। হামে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে খুমী এবং ম্রো জনজাতির সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন