প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
যুক্তরাষ্ট্রের পিটসবার্গে, শিশু চিকিৎসক ডা. ইদ্রিস ইভান্স তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে নিজ বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলেন। ভোরের দিকে হঠাৎ করে একজন ব্যক্তি তাদের বাড়িতে প্রবেশ করে রান্নাঘরের ছুরি দিয়ে হামলা চালায়। গুরুতর আহত অবস্থায় ৪৬ বছর বয়সী এই চিকিৎসকের মৃত্যু ঘটে। হামলায় তার স্ত্রীও গুরুতর আহত হন।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১২টার দিকে পিটসবার্গের উপকণ্ঠ এজউডের একটি বাড়িতে দুইজনের ছুরিকাঘাতের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে। সেখানে ডা. ইভান্স ও তার স্ত্রীকে একাধিক ছুরিকাঘাতের জখমসহ উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইভান্সের মৃত্যু হয়। তার স্ত্রীকে সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ডা. ইদ্রিস ইভান্স ইউপিএমসি চিলড্রেনস হাসপাতাল অব পিটসবার্গের শিশুদের গুরুতর অসুস্থতার চিকিৎসক হিসেবে কাজ করতেন। তিনি পিটসবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপকও ছিলেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে একজন নিবেদিতপ্রাণ চিকিৎসক ও গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে উল্লেখ করে তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে।
আদালতের নথি অনুযায়ী, ইভান্স ও তার স্ত্রী বিছানায় ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় হামলাকারী তাদের ওপর ছুরি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েন। ইভান্সের স্ত্রী পুলিশকে জানান, হামলাকারী শুধু অন্তর্বাস পরা অবস্থায় ছিল এবং সে ‘আমি ঈশ্বর’ ধরনের কথা বলছিল। হামলার সময় তিনি দ্রুত তাদের দুই সন্তানকে প্রতিবেশীর বাড়িতে চলে যেতে বলেন।
পুলিশ হামলার ঘটনায় ৩২ বছর বয়সী এলিয়াহ হেমিংওয়েকে আটক করে। তদন্তকারীরা তাকে কাছের একটি বাড়ির পেছনে খুঁজে পান। তার হাতেও কাটা জখম ছিল এবং চিকিৎসার জন্য তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। পুলিশ জানিয়েছে, তার বিরুদ্ধে হত্যা, গুরুতর হামলা, বাড়িতে অবৈধভাবে প্রবেশ এবং অনধিকার প্রবেশের অভিযোগ আনা হয়েছে।
ইভান্সের স্ত্রী পুলিশকে জানান, হামলার সময় তার স্বামী হামলাকারীকে ‘এলিয়াহ’ নামে ডাকেন। তবে পুলিশ এখনও নিশ্চিত নয় যে ইভান্স ও সন্দেহভাজন ব্যক্তির মধ্যে পূর্বে কোনো পরিচয় বা সম্পর্ক ছিল কিনা। হামলার উদ্দেশ্যও এখনও জানা যায়নি।
আলেঘেনি কাউন্টি পুলিশের সহকারী সুপারিনটেনডেন্ট ভিক্টর জোসেফ জানান, ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি ছিল অত্যন্ত সহিংস। শোবার ঘরের আসবাবপত্র ও আয়না ভাঙা অবস্থায় পাওয়া যায়। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার বিস্তারিত কারণ ও হামলার উদ্দেশ্য জানতে তদন্ত চলছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন